3 Jun 2020

How are you feeling? Kids talk about life after a cyclone: Part 2

Punam, Shampa and 10 to 13 year olds

KYP Visit June 3, 2020

Two weeks after Amphan, a team of TF youth trainers visited the affected community at Mograhat (YRC KYP) to check in on how children were coping with the disaster and its aftermath.

How were they feeling, what were they thinking, what could be done to restore their sense of agency and control?

The facilitators worked with two batches of kids; 6 to 9, and 10 to 13 year olds. This post is about the older ones. Read our post on younger children

The kids:

  • 11 year olds: Ruhin, Rexsona, Sahina, Suhana, Sultana, Raniya
  • 12 year olds: Nasima, Lutfarnesa, Sunaiya, Sahil, Jishan, Jahiruddin
  • 13 year olds: Sarika, Sakil, Rohit
"What Scared me"

"I feel scared of walking past the graveyard। I always try to run past it, until i reach a brightly lit place; then i feel less afraid"

"I was terrified the day our kitchen caught fire. A lot of things got burnt. It took many people to pour water before it was put out."

"I'm scared of thunder and lightning"

"On the day of the storm, tiles flew out from the house behind us and fell on ours. That was scary!"

"The day of the storm was frightening. Our house is broken, we are managing under plastic sheets. There's no food at home. We dont have a ration card either, or we could have got some food from the shop. I had received 500 rupees from the school as part of COVID relief; that money was spent long ago. I don't know what we will eat, and when our house will be rebuilt"

"The storm came and broke everything in the room. All of us were huddled in the kitchen. Mother and all of us wailed loudly for it to end"

"This year's Eid was not a happy one. We did not have money for new clothes, good food, and couldn't go out to have any fun with friends. It was quite sad"

"Our house has been destroyed by the storm. We are living in someone elses house now. The uncles are helping us, giving us food. My father is not around, so we are miserable"

"Parents don't let us kids know what a difficult time they are going through to manage food for us. They never discuss it when we are there. But I can overhear them talking, mother asking father 'there is not enough money, how will we get two fistfulls of rice for the next meal?'. It breaks my heart to feel how much they have to struggle just to feed us. I feel a sense of responsibility. I too worry, how long can my parents manage like this?"

"My house is gone. I'm living in the house of an aged neighbour. There's daily stress around food. Don't know what will happen here on"

"What I can do"

"How much ever we can, we should help our friends by lending a hand in their work"

"If a friend is sad, I'll keep them company and not leave them on their own"

"Talking about the difficulties will help the friend feel lighter"

"I will ask my parents to let friends who have lost their home to stay over at my place"

"We can invite them over for meals"



কেমন আছি!(2)
সাইক্লোনের পর ছোটদের মনের কথা


"ভয় কখন লাগে?"

"অন্ধকার কবর স্থানের পাশ দিয়ে যেতে ভয় লাগে। যখনই আমি এইরকম জায়গা থেকে যায় তখন দৌড়ে যাওয়ার চেষ্টা করি কোন আলোর জায়গার কাছে তখন আমার একটু ভয় কমে"

"যখন আমাদের বাড়ি রান্নাঘরে আগুন ধরে যায় সেই দিন আমার খুব ভয় হয়েছিল। অনেক জিনিসপত্র পুড়ে যায় এবং অনেক মানুষ এসে জল ঢেলে আগুন ঠান্ডা করে"

"বিদ্যুৎ দেখলে এবং বাজ করলে আমার খুব ভয় লাগে"

"ঝড়ের দিন পেছনের বাড়ির টালি উড়ে এসে আমাদের ঘরে পড়েছিল তখন খুব ভয় লেগেছিল"

"যেদিন ঝড় হয় সেদিন খুব ভয় লেগেছিল। আমাদের ঘর ভেঙে গেছে; এখন আমরা ত্রিপল টাঙিয়ে আছি। বাড়িতে কিছু খাওয়ার জন্য নেই। রেশন কার্ডও নেই যে দোকান থেকে রেশন আনবে। স্কুল বন্ধ হওয়ার পর আমি একবার 500 টাকা স্কুল থেকে পেয়েছিলাম, তখন ওই টাকাটা ঘরের খাবারের জন্য খরচা হয়েছিল। এখন আর আমরা জানিনা কি খাব আর কবে আমাদের ঘর ঠিক হবে।"

"ঝড়ের দিন এত তোলপাড় হচ্ছিল যে ঘরের জিনিসপত্র ভেঙ্গে গেছে। আমরা সবাই মিলে রান্না ঘরে ছিলাম, আর মা এবং আমরা সবাই খুব কান্নাকাটি করছিলাম"

"এবছরের ঈদ ভালো যায়নি। কাছে টাকা ছিল না, নতুন জামা হয়নি। ভালো কিছু খেতেও পারিনি, বন্ধুদের সঙ্গে কোথাও যেতেও পারিনি, তাই একটু মনটা খারাপ ছিল"

"ঝড়ে আমার বাড়ি ভেঙে গেছে। এখন অন্যদের বাড়িতে আছি। কাকারা সাহায্য করছে, খাবার দিচ্ছি। বাবা এখন আমাদের কাছে নেই, তাই অনেক কষ্ট করে আমরা বেঁচে আছি"

"আমরা বাচ্চা বলে বাবা-মা আমাদেরকে বুঝতে দেয় না যে তারা কত কষ্ট করে আমাদের জন্য খাবার জোগাড় করছে। আমাদের সামনে কখনো আলোচনাও করেনা যে ওনারা কোথা থেকে টাকা জোগাড় করবে।আমি আড়াল থেকে এগুলো শুনতে পাই মা বাবাকে জিজ্ঞাসা করছে যে ঘরে টাকা নেই কিভাবে আমাদের দুবেলা-দুমুঠো খেতে দেবে। আমি সেটা শুনতে পাই।তাই এখন মনে হয় বাবা মার কাছে পয়সা না থাকলে অনেক কষ্ট করে তারা আমাদেরকে খেতে দেন তাই বাবা মার প্রতি আমাদেরও কিছু দায়িত্ব থাকে আমরা খাবার নষ্ট করতে পারি না এই সময়। আমারও চিন্তা হচ্ছে যে বাবা-মা আর কতদিন এইভাবে চালাবে"

"আমাদের বাড়ি ঝড়ে ভেঙে গেছে আমরা পাশে দাদুর বাড়িতে থাকি সেখানেও প্রায় দিন অশান্তি হয় খাওয়া নিয়ে। এখন কি হবে জানিনা"

"আমি কী করতে পারি"

"যতটুকুই পারি যদি বন্ধুদের হাতে হাতে কাজ করে দিতে পারি তাহলে তাদেরকে একটু সাহায্য করতে পারব"

"যদি দেখি কোন বন্ধুর মন খারাপ তাকে একা থাকতে দেবো না, তার সঙ্গে গল্প করব, খেলবো, সময় কাটাবো

"বন্ধুদের সাথে গল্প করে ওদের কষ্টের কথা জানব তাতে ওদের কষ্ট একটু হালকা হবে"

"যে বন্ধুর ঘর ভেঙে গেছে, থাকার জায়গা না থাকলে বাবা মাকে জিজ্ঞাসা করে বন্ধুকে আমার বাড়িতে রাখবো"

"বন্ধুদের ডেকে এনে একসাথে খাব"

 

No comments:

Post a comment

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here