27 May 2020

My Cyclone Experience

Amphan

Sujata Banik, 15, YRC Ujaan

I have never experienced a cyclone before.

Before it came, I thought a Cyclone would be an exciting new experience. It wasn't. I was worried because I was with my mother in Dhakuria and my father was in Narendrapur. It wasn't at all possible to contact my father, who was completely alone at the time. Worries grew as the storm raged on, and the house began to shake. It was as though nature was furious; we were helpless before it, and we could do nothing but sit indoors. I was very scared. So far, I'd always associated storms with the joy picking up mangoes. I never imagined it could be so terrible.

But the experience of the day after the storm was more significant to me.

Some of you may have noticed a homeless, mentally ill man sitting outside the lake. The day after the cyclone, there was a massive tree fallen over the spot where he used to sit. My mother saw this as she was passing by, and she remembered him. So she went up closer to see if the man was there somewhere. She found that he wasn't dead! He sitting curled up and frightened amongst the fallen branches. Later many people came to help remove the tree and extricate the man.

That day I remembered the image of hundreds of migrant workers walking in the sun with children to return home during lock-down; how did they cope with this terrible disaster? I also remembered the girl from Namkhana who shared the story of how her house was demolished by the cyclone Bulbul... this was at the Girls' Voices Day a few months ago. I was really worried for them, and I pray that all those who are still in a terrible situation may return to a normal life soon.

I must say here that none of us were not hurt in cyclone, everyone is fine.

I learned from the trees that you mustn't accept defeat easily. We have to fight. One day the battles will be over and we will win. Just as the trees have endured so much and yet they are still standing for another beautiful day.



ঘূর্ণিঝড়ে আমি


সুজাতা বণিক, 15, YRC উজান

এর আগে আমার কোনও ঘূর্ণিঝড়ের অভিজ্ঞতা নেই।

প্রথম দিকে একটা নতুন অভিজ্ঞতা হবে ভেবে বেশ ভালো লাগছিল কিন্তু এই সময় আমি আমার মায়ের সাথে আছি ঢাকুরিয়াতে আর আমার বাবা আছে আমার নরেন্দ্রপুরে তাই চিন্তা হতে লাগলো। সম্পূর্ণ একা আমার বাবার সাথে যোগাযোগ করাও সেই মুহূর্তে সম্ভব হচ্ছিল না। চিন্তা বেড়ে যাচ্ছিল। তার উপরে ঝড় যেমন ভাবে বাড়ছিল যে বাড়িটাও কাপতে শুরু করেছিল, মনে হচ্ছিল প্রকৃতি যেনো ভীষণ রেগে গেছিল। কিন্তু আমরা প্রকৃতির কাছে এতটাই অসহায় যে ঘরে বসে থাকা ছাড়া কিছু করতে পারছিলাম না আমরা। ভীষণ ভয় হচ্ছিল। ঝড় মানেই আমার কাছে আম কুরুতে যাওয়ার আনন্দ কিন্তু সেই আনন্দের ঝর ও যে এমন ভয়ঙ্কর হতে পারে ভাবিই নি কোনোদিন।

কিন্তু ঝড়ের দিনের থেকে তার পর দিনের অভিজ্ঞতা বেশি আমার কাছে

লেক-এর বাইরে সবসময় এক মানসিক ভারসাম্য হীন মানুষকে বসে থাকতে হয়তো অনেকেই দেখেছে, যেখানে তিনি বসে থাকতেন সেখানে এই ভীষণ ঝরে পরের দিন একটা বিশাল গাছ পরে থাকতে দেখা যায়, ওই রাস্তা যখন আমার মা যাচ্ছিল তখন মায়ের সেই লোকটির কথা মনে পড়ে আর মা দেখতে যায় গাছটির কাছে লোকটি আছে কি না আর মা দেখে যে লোকটি মারা যান নি গাছের ডালের ফাঁকে ভয়ে গুটিসুটি হয়ে বসে আছে, তারপর অনেকে মিলে কোনো রকমে গাছটিকে সরিয়ে সেখান থেকে বার করে আনা হয় লোকটিকে।

আর সেই দিনই আমার মনে পড়ে লক-ডাউনের এর ফলে অনেক পরিযায়ী শ্রমিক পথে, তাদের শিশু সন্তান সহ এই ভীষণ দুর্যোগে তাদের কি সমস্যা। আর তার সাথে আমার আরও একটা কথা মনে পড়ে; লাস্ট বার Girls' Voices Day উপলক্ষে আমরা যখন অফিসে গেছিলাম তখন নামখানা থেকে আসা একটি মে বুলবুল ঝরে তাদের বাড়িটি ভেঙে যাওয়ার কথা বলে, তাই এই ভীষণ দুর্যোগের সময় ওদের সবার কথা খুব মনে পড়ছিল, আর প্রার্থনা করি এখনও যারা ভীষণ খারাপ অবস্থাতে আছে তারা যেন খুব তাড়াতাড়ি স্বাভাবিক জিবনে ফিরে আসতে পারে।

এখানে বলা উচিৎ গত ঝড়ে আমাদের কারো কিছু ক্ষতি হইনি, সবাই ভালো আছে

আমি তো গাছগুলোর কাছ থেকে শিখলাম, যে কখনও হেরে যেতে নেই, লড়তে হবে, একদিন সব লড়াই শেষ হয়ে যাবে আর আমরা জিতে যাবো, ঠিক যেমন গাছগুলো এত ধাক্কা সহ্য করার পর ও দাড়িয়ে আছে একটা সুন্দর দিনের জন্য

No comments:

Post a comment

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here