29 Mar 2015

Identity, or injustice?

Uma is the founder member of YRC Nabadisha
Youth Trainer (2015)
Read her earlier post

My name is Uma. My home is in the Gobindopur area of Kolkata, home to a number of people from divergent socio-economic conditions.

Bangkok is a dream city for many, but for me it is the city where I came out of my comfort zone and blended in with people of four other countries. It was on 20th January 2015 that six of us as part of the Youth Unite programme flew out to Bangkok to work on the issue of identities. There we met people of our own age group from four other countries – Bangladesh, Indonesia, Philippines and Thailand. And so people from five different countries started a discussion about our identities, like being a girl, being Indian, and my caste identity, among other things.



Many might think what the point is in saying or writing this; we all know what identities we have! Yes, I too think that our identities are so fundamental to us that they are almost part of our bloodstream. And so if some discrimination or something unfair happens because of identity, we think it is justified.

We all have different identities and these make us unique to others. But when these very identities cause us to become the victims of different kinds of discrimination and violence, then this question comes up – Why? Why? Why? Why this discrimination only on the basis of my identity as a girl? I will not get the kind of opportunities boys will get. Why won’t I be able to study further? Why should we have to give money to the groom if I get married? Why doesn’t anybody believe or care that I too have a dream and that I too can help my family and society. Why should be ‘human rights’ be snatched away from me just because I am a girl?

When I listened to what people of four other countries had to say, I felt that the situation there had similarities with mine. For example, if I was a Muslim, I was bound to obey some norms. But being a Muslim is only one of my identities. I have many other identities, for instance, I am a student, I am a member of a family, or that I am a good player. But when others show violence towards me, why do they forget these other identities of mine?

In this way, focusing on such identities, we start cutting up society into many parts, and basing our assumptions on certain stereotypes, we start putting people into different boxes. For example, being a girl means …., being a boy means …., being a Muslim means …., being a Hindu means …., being a Christian means …., being a vegetarian means …., being an Indian means ….' and so on.

And when anyone tries to come out of these boxes that we have put them into, when someone tries to blend in with others, we do not think of them as belonging to the same group as us. Since that person is not like me, I think that what she is doing is wrong and she should be punished for this wrongdoing.

Many questions come up in my mind surrounding this issue. Society does not have the answers to these questions. Why the punishment? Because despite being born a girl, I dream of being a sportsperson? Because despite being a Hindu, I want to consider a Muslim person as a dear friend? Or because despite being a widow, I think of filling my life with colour? Do any of us know which of these wishes are right and which are wrong? This life is mine, and so I think that if I have to face violence or discrimination because of a single identity of mine, that is wrong. Again, if anyone is judged and made a victim of violence because of a single identity of theirs, that is also wrong.



পরিচিতি, না বৈষম্য?


আমি ঊমা। আমার বাড়ি কলকাতা শহরের গোবিন্দপুর অঞ্চলে, যেখানে আর্থ-সামাজিক বৈষম্যের বহু মানুষ একসঙ্গে থাকে।

ব্যাংকক অনেকের কাছে স্বপ্নের শহর কিন্তু আমার কাছে ছিল এমন একটা শহর যেখানে আমি নিজের comfort zone থেকে বেরিয়ে এসে আরও চারটি দেশের মানুষের মাঝে নিজেকে মানিয়ে নিয়েছিলাম। পরিচয় নিয়ে আমাদের অনেকের অনেক ধারণা আছে। এ বিষয় নিয়ে কাজ করার জন্য Youth Unite নামক প্রোগ্রামের সুবাদে গত ২০ শে জানুয়ারি ২০১৫ ভারতবর্ষ থেকে আমরা ৬ জন উড়ে যাই ব্যাংককের উদ্দেশ্যে এবং সেখানে আমাদের সাথে পরিচয় হয় বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপিন্স ও থাইল্যান্ড থেকে আসা আমাদেরই বয়সী বন্ধুদের সাথে।
আমরা ৬টি দেশের মানুষ একসাথে হয়ে আলোচনা করতে শুরু করি আমাদের পরিচিতি নিয়ে, যেমন আমি একজন মেয়ে, আমি হিন্দু, আমি ভারতবাসী বা আমার জাত কি।

হ্যাঁ সবার হয়তো মনে হচ্ছে এটা বলার বা লেখার কি দরকার – এত আমারা সবাই জানি! হ্যাঁ আমারও তাই মনে হয় আমাদের পরিচিতিগুলি আমাদের রক্তের সাথে মিশে গেছে, তাই পরিচিতিকে কেন্দ্র করে যে ধরণেরই বৈষম্য বা অন্যায় আচরণ হোক না কেন, আমাদের মনে হয় যে এটাই তো ঠিক।

আমাদের সবার আলাদা আলাদা পরিচিতি আছে এবং এই পরিচিতি আমাকে করে তোলে অন্যদের কাছে অনন্যা। কিন্তু যখন এই পরিচিতির জন্য আমাদের সম্মুখীন হতে হয় নানা ধরণের বৈষম্য বা হিংসা, তখন মনে প্রশ্ন আসে, কেন? কেন? কেন? এই বৈষম্য শুধু মাত্র আমি মেয়ে বলে কেন? আমাকে ছেলেদের মতো সুযোগ দেওয়া হবে না,  কেন আমি পড়াশুনা করতে পারবো না? কেন আমাকে বিয়ে দিতে গেলে ছেলে পক্ষকে টাকা দিতে হবে? কেন কেউ বিশ্বাস করে না বা পরোয়া করে না যে আমারও একটা স্বপ্ন আছে আর আমিও পারি আমার পরিবারকে ও সমাজকে সাহায্য করতে। শুধু মাত্র ‘মেয়ে’ – এই পরিচিতিকে ভিত্তি করে কেড়ে নেওয়া হয় আমার থেকে আমার “মানব অধিকার”।

আর চারটি দেশের মানুষদের কথা শুনে মনে হল পরিস্থিতি সর্বত্রই বেশ এক ধরণের। যেমন মুসলিম মানে আমাকে কিছু কিছু জিনিস মানতেই হবে। কিন্তু আমি মুসলিম, এটা তো আমার একটা পরিচিতি, এছাড়াও আমার অনেক পরিচিতি আছে যেমন আমি স্টুডেন্ট, আমি একটি পরিবারের সদস্য, বা আমি  ভালো খেলোয়াড়। কিন্তু যখন আমার সাথে হিংসা করা হয় তখন আমার অন্য পরিচয়গুলি কেন মানুষরা ভুলে যায়?

এইভাবে আমরা একটি পরিচিতিকে ভিত্তি করে সমাজকে অনেক অংশে ভাগ করতে শুরু করি, এবং কিছু গতানুগতিক ধারনার ওপর ভিত্তি করে মানুষকে এক–একটা বাক্স-বন্দী করতে থাকি। যেমন মেয়ে মানে …., ছেলে মানে …., মুসলিম মানে …., হিন্দু মানে …., খ্রীষ্টান মানে …., ভেজিটেরিয়ান মানে …., ভারতীয় মানে ….।
আর যখন কেউ এই বন্ধ বাক্সগুলো থেকে বেরিয়ে আসতে চায়, নিজেকে সবার সঙ্গে মানিয়ে নিতে চায়, তখন আমরা তাকে নিজের দলের মনে করি না। সে যেহেতু আমার মত নয়,
আমি মনে করি সে যা করছে সেটা ভুল আর এই ভুলের জন্য তার শাস্তি পাওয়া উচিত।

এই বিষয় নিয়ে মনে অনেক প্রশ্ন ওঠে যার কোন সঠিক উত্তর সমাজের কাছে নেই। শাস্তি কিসের জন্য? আমি মেয়ে হয়ে জন্মেও স্বপ্ন দেখছি খেলোয়াড় হওয়ার জন্য? নাকি হিন্দু হয়ে স্বপ্ন দেখছি মুসলিম কোনো মানুষকে নিজের প্রিয় বন্ধু মনে করব বলে? নাকি বিধবা হয়ে ভাবছি নিজের জীবনটাকে রঙিন করার কথা। এই ইচ্ছেগুলোর মধ্যে কোনটা ঠিক আর কোনটা ভুল, কেউ কি জানি? জীবন আমার, তাই নিজের কোনো একটি পরিচিতির জন্য হিংসা বা বৈষম্যের মুখোমুখি হতে হলে আমার মনে হয় সেটা ভুল, আবার অন্য কাউকেও তার কোনো একটি পরিচিতির ওপর ভিত্তি করে বিচার করলে আর তার ওপর হিংসা করলে মনে হয় ভুল।

 

1 comment:

  1. Khub valo likhecho kintu Tumi bolcho porichiti rokter sathe mishe ache amar eta mone hoyna. Tomar lekha golpo holeo sotty lekhata amake nara dilo.

    ReplyDelete

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here