29 Mar 2015

Challenging My Assumptions

Azahar is the founder member of YRC "KYP'
Youth Facilitaor (2015)
Read his earlier post

I am Azhar, a resident of village Kuldiya in Mograhat, South 24 Parganas. The village consists of Muslim families mostly, with a lot of visible discrimination between boys and girls. Girls should not go out alone, their wishes and opinions do not matter, and they have to lead their lives according to what their parents and brothers dictate. Besides, there are many additional obstacles posed by the Muslim  society we live in. Even in such conditions, we with the help of Thoughtshop Foundation, we have created a group here called ‘Kuldiya Yuva Procheshta’ (KYP), through which we carry out different kinds of awareness work in our area. Our messages reach people through workshops, through the posters and games and dramas.

Recently this work of ours created an opportunity to go to Bangkok. I had never even dreamt that I would visit outside my country. I was scared – would I be able to adjust with the different new cultures, languages, foods and young people of different countries that I would face there? But there was confidence in myself too, that I would be able to, however many obstacles I faced.


On 20th January, we boarded the flight from Dumdum Airport and flew out. There were many beautiful things to see on the journey by air to Bangkok. The way the clouds were flying by according to their own free will, I too was breaking down the many barriers posed by society and flying along with them. After reaching Bangkok, I had some problems with the food served at dinner, as it was totally different from the food I am used to. But later I adjusted with it despite initial problems.

The next morning, young people from five different countries united at the workshop. We had a big discussion on diversity. The card game taught us that we cannot assume that a Muslim would eat meat or be violent. Similarly, a Hindu does not necessarily mean she or he is a vegetarian. It is not okay that a boy, because of his gender, can do anything and everything. Yet girls are always forced by society to conform to the norms of caste, religion etc.  For instance, if I do any housework in my own home, I face a lot of problems from people at home. They question why I am doing housework despite being a boy. This kind of work is to be done by women only.

After my Youth Unite journey, I am seeing a way out of these obstacles. Besides, it was here that I got inspired to progress in life by overcoming my fear and challenges. If a woman can run a boxing club in Bangkok, and blind people guide us in the right direction, then why couldn’t I do it too?

I want to continue to work with young people in my village, and bring about change in their mindsets, so that a greater change for the better can happen in our Muslim neighbourhood and in our village. I want to thank Youth Unite for giving me this opportunity. 



আমার ধারণা-ভঙ্গ


আমি আজাহার, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট থানার অন্তগর্ত কুলদিয়া গ্রামের বাসিন্দা। এই গ্রামটিতে বেশির ভাগ মুসলিম পরিবার বাস করে। আমাদের এলাকায় ছেলেদের আর মেয়েদের মধ্যে অনেক  বৈষম্য দেখা যায়। মেয়েরা বাইরে একা যাবে না, তাদের ইচ্ছা ও মতামতের কোন গুরুত্ব নেই, ও মা-বাবা ও ভাইদের কথামত তাদের চলতে হবে। তার সাথে মুসলিম সমাজের আরও অনেক বাধা। এই অবস্থার মধ্যে থেকেও আমরা থটশপ ফাউন্ডেশন-এর সাহায্যে এখানে একটি দল তৈরি করি যার নাম ‘কুলদিয়া যুব প্রচেষ্টা’। এই দলের মাধ্যমে আমরা পাড়াতে বিভিন্ন রকম সচেতনতামূলক কাজ করি। আমাদের নানা কর্মশালা, পোষ্টার ও ব্যানার বানানো, বিভিন্ন বিষয়ে নাটক আর লীফলেট এর মাধ্যমে আমাদের কথা মানুষের কাছে পৌঁছায়।

এই কাজের মধ্যে থেকেই সম্প্রতিকালে একটা সু্যোগ এসেছিল Youth unite-এর মাধ্যমে ব্যাংকক যাওয়ার। আমি কখনও স্বপ্নেও ভাবিনি যে এইরকম দেশের বাইরে যাব। মনে মনে ভয় ছিল যে আমি বিভিন্ন নতুন কালচার, ভাষা, খাদ্য ও বিভিন্ন দেশের যুবদের সাথে ঠিকমত মানিয়ে নিতে পারব তো? সাথে-সাথে আবার ভেতরে আত্মবিশ্বাসও ছিল যে যত সমস্যা থাক না কেন, আমি পারব।

২০ জানুয়ারী দমদম এয়ারপোর্ট থেকে উড়ো জাহাজে পাড়ি দিলাম। ব্যাংকক যাত্রার পথে অনেক মনোরম দৃশ্য দেখলাম। মেঘগুলো যেমন উড়ে যাচ্ছিল তাদের ইচ্ছামত, ঠিক সেইভাবে যেন সমাজের অনেক বাধা ভেঙে আমিও উড়ে চলেছিলাম তার সাথে-সাথে। ব্যাংকক পৌঁছানোর পর রাতের খাবার খেতে একটু অসুবিধা হচ্ছিল কারণ আমি যে খাবারে অভ্যস্থ সে তুলনায় এখানকার খাবার পুরো আলাদা। প্রথমে অসুবিধা হলেও পরে তা মানিয়ে নিয়েছিলাম।

পরের দিন সকালে পাঁচটি দেশের youth একসাথে মিলিত হলাম এই workshop-এ। এখানে diversity সম্বন্ধে অনেক আলোচনা হল। Card game-এর মাধ্যমে শিখলাম যে একজন মুসলিম মানেই যে সে মাংস খাবে ও হিংসাত্মক হবে তা নয়। একজন হিন্দু মানেই ... নয়, ছেলে মানেই যে সে সব কিছু করতে পারে তাও নয়। কিন্তু যখন একটি মেয়ে হচ্ছে তখন সমাজ তাকে কত বাধ্য তৈরি করছে তা ধর্ম ও জাতে এইসকল দিক দিয়ে।(?) যেমন আমি যদি নিজের বাড়িতে কোনো ঘরের কাজ করি, বাড়ির লোকের থেকে অনেক সমস্যার মুখোমুখি হতে হয়। প্রশ্ন ওঠে যে আমি ছেলে হয়েও ঘরের কাজে হাত লাগাচ্ছি কেন? ও তো মেয়েদের কাজ, মেয়েরা করবে। Youth Unite-এর মাধ্যমে যেন এইসব বাধা থেকে বার হওয়ার পথ দেখতে পাচ্ছি।

এছাড়াও এখানে এসে নতুনভাবে উৎসাহিত হয়েছি নিজের ভয় ও প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে উঠে এগিয়ে যেতে। ব্যাংককে একটি মহিলা যদি পারে Boxing club চালাতে আর অন্ধেরা যদি আমাদের সঠিক পথে চালনা করতে পারে, তাহলে আমিই বা কেন পারবো না?

আমি চাই আমার গ্রামে যুবদের নিয়ে কাজ করতে ও তাদের মানসিকতায় পরিবর্তন আনতে, যাতে আমাদের মুসলিম পাড়া ও গ্রামে বৃহত্তর পরিবর্তন আসে। আমি YouthUnite কে এই সুযোগ করে দেওয়ার জন্যে ধন্যবাদ দিতে চাই।

 

No comments:

Post a Comment

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here