9 Feb 2014

How I Learnt To Love My Mother in law

Anjana is the founder member
of YRC Youth Voice (2011)
TF Youth Trainer since '10

Before I was married, my home was in VIP-Nagar, beside the EM Bypass. Here I worked with young people, especially girls in my neighbourhood, and started a group called Youth Voice. I would discuss issues like self exploration, reproductive health and the difficulties of child marriage with young people here. Many of them called me Pishi [Aunt], and looked to me for emotional support. I was also an active Change maker as part of the We Can Campaign.

My mother raised me and our large joint family with a lot of love. She would always say “Whatever work you’re going out to do, do it well and come back. Do not worry about housework, it will get done somehow.” Because she said this every time, I was able to focus on my work and go anywhere I liked with a free mind.

Perhaps it was those experiences that helped me through a difficult time in my life.

Basu and I got married in the December of 2011. That was the happiest moment of my life. We shifted to Kachrapara, and started our new life with a lot of hope. But within a couple of days of my marriage, a suffocating web of do’s and don’ts closed in on me. I never imagined that I would have to face these stereotypical situations.

If you go out of home, cover your head with your sari. You cannot go out whenever you want. You must get up at 5 am, winter or summer. You must bathe early in the morning and wet your hair completely. I felt as if a mountain of obstacles had broken on my head, and I found it impossibly hard to adjust to this situation. I felt like a prisoner. In my new life, there was no space to laugh out loud or have fun; I spent my days crying and afraid, and going out only for office. The only good thing I can remember even in those times was that my mother-in-law, whatever else she did, always gave me enough food to eat.

One day my mother-in-law said some very painful and insulting things to me, and I couldn’t talk back. The situation was unbearable, so the next morning I left the house. I felt there was no reason for me to stay in a place where I had no respect, no dignity, nor the right to speak. But I couldn’t stay out long, Basu persuaded me to return. I spent all day in a darkened room, and in the evening I felt compelled to apologise to my mother-in-law. The next day she called me up at office and said, “Go away, stay with your mother, don’t come back here.” That got me very worried, and Basu too was confused as to what to do. Though he understood that what his mother was doing was wrong, he could never talk back to her, that was his weakness. Eventually I did not go to my parents.

In the night she said, “You left the house, didn’t you? Why did you come?” At this point, ignoring conventions, I spoke out and said some things which she didn’t like. To our utter shock, she had a fit and lost consciousness. Even after she recovered, she didn’t sleep late into the night and sat outside, alone. Neither could we sleep. Basu called me aside and told me, “Just say sorry once, then everything will be fine.” I thought, But why should I? I haven’t done anything wrong! For about half-an-hour I was totally conflicted. Finally I begged for forgiveness — thinking if it really changed things between us it would be worthwhile. However, from the next day the same things continued; the same anger, the same unwillingness to speak. But looking at her, I could feel that she herself was also suffering. She did not eat well, she slept badly, and was always sitting alone, thinking of something.

Days went by like this. I was at a loss as to how to make it right. Sometimes I would to break down, thinking things would never mend. Basu would support me a lot, saying, “I really believe that the situation will change. Mother will have to change someday.” Talking to him freely, I was able to glimpse hope. Before taking any decision, both of us would discuss it — how to break it to his mother so that she would be able to take it in the right spirit.

At TF every week I would sit with the counsellor, so that I could heal myself, and could think of ways to change the situation. Through these sessions, I became aware of certain areas where I could change myself too. Before speaking to my mother-in-law, I started to think consciously about how to say it, so that I would not have to say sorry later. Besides, I started to develop the skill of being assertive. Whenever she said something, I would hear her out and then clearly articulate my difficulty in carrying out her wishes.

For instance, one day when she reminded me yet again to wet my hair while bathing, I heard her out and then said, “See Ma, my hair is very long. If I wet it completely every day, I will catch a cold. Otherwise I will have to cut my hair short. Now you say what I should do.” After that, she has not brought it up again. I started discovering the benefits of being assertive.

Many things started changing in this way. My relationship with my mother-in-law is not perfect, but its better. I have been able to preserve my self-respect. I also understand my mother-in-law better. Even if she says something that annoys me, I do not immediately retort. I control my emotion momentarily, and use that moment to remind myself that she too is a victim of discrimination against women. Even though she has herself been victimised, she does not know any way other than to carry this discrimination forward. Yet since I am aware, since I am a part of the We Can movement, I can choose another way, I am empowered to stop this vicious cycle. So till the day that I am able to totally transform her mentality, my answers to what she says reflect my empathy for her. In this way, I also protect myself from a situation where society would again compel me to be sorry for a wrong I did not do.

Nowadays I often give my opinion in many family-related matters. I say, “I think it should be this way, what do you think?” And often she agrees, surprising me. She has also apologised to me several times, saying, “I say many things when I’m hotheaded. Forgive me.” Earlier I couldn’t dream of something like this happening. Nowadays she doesn’t burden me with chores before I leave for office. She says, “Let it be, I will cut the vegetables myself, otherwise you will get late.” Only the other day she woke up quarter past five in the morning. I heard her moving about, and scared, got up too. Seeing me she said, “Why did you get up? Sleep a little more, get up later.” Maybe these are the effects of my patience and good behaviour. Perhaps these have helped her to change. To be honest, I think i've become quite fond of my mother-in-law. Sometimes when I am at my mother’s place, I remember her often.

For me, the important learning has been this: when we are in a difficult situation, instead of avoiding it, if we try to find a way to make it right, then we don’t have to give up on relationships. I believe that we have the power to raise our voice against violence and the solutions — the key is within us; we just have to look for it…

শাশুড়ি মার সঙ্গে ভাব হলো কেমন করে

আমি অঞ্জনা। আমি থটশপ ফাউণ্ডেশনে একজন ইউথ ট্রেনার হিসেবে কাজ করি। আমি সোশাল ওয়ার্ক আর কাউন্সেলিং-এও ট্রেনিং নিয়েছি। বিয়ের আগে আমার বাড়ি ছিল EM Bypass-এর পাশে VIP-নগরে।। এখানে আমি যুবদের সঙ্গে কাজ করতাম, বিশেষ করে মেয়েদের সঙ্গে, এবং পাড়ায় ইয়ুথ ভয়েস নামক একটা গ্রুপও তৈরি করেছিলাম। আমি গ্রুপের সাথে নিজেকে জানা ও আবিষ্কার করা, প্রজনন স্বাস্থ্য এবং অল্পবয়সে বিয়ে হয়ে যাওয়ার ফলে যে সমস্যাগুলো দেখা দেয়, এইসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করতাম। এই ছেলে-মেয়েদের মধ্যে অনেকেই আমায় ‘পিসি’ বলে ডাকতো ও জানতো যে মানসিকভাবে ওদের সাহায্য করার জন্য আমি পাশে আছি। আমি “আমরাই পারি মেয়েদের বিরুদ্ধে হিংসা থামাতে” অভিজানেরও একজন সক্রিয় সদস্য ছিলাম।

আমার মা আমাকে ও আমাদের বড়সড় একান্নবর্তী পরিবারটাকে অনেক ভালবাসার সঙ্গে বড় করে তুলেছিল। মা সবসময়েই বলতো, “যে কাজে যাচ্ছিস, সেটা ভালোভাবে করে ফিরে আয়। বাড়ীর কাজের কথা চিন্তা করতে হবে না, ও ঠিক হয়ে যাবে।” মা এটা বলতো বলেই আমি আমার কাজগুলো মন দিয়ে করতে পারতাম এবং নিশ্চিন্তমনে যেখানে খুশি যেতেও পারতাম। হয়তো এই অভিজ্ঞতাগুলোই আমাকে আমার জীবনের একটা কঠিন সময় সাহায্য করেছিল।

তারপর একদিন আমার জীবনের সবচাইতে আনন্দের মুহূর্ত এলো – আমার বিয়ে। ২০১১ সালের ডিসেম্বর মাসে আমার আর বাসুর বিয়ে হয় এবং বিয়ের পর আমি কাঁচড়াপাড়ায় থাকতে শুরু করলাম। অনেক আশা নিয়ে আমরা নতুন জীবন শুরু করি। কিন্তু বিয়ের দুদিন পর থেকেই শুরু হয়ে যায় বিভিন্ন রকমের বাধা-নিষেধের বেড়াজাল। বাড়ির বাইরে বেরোতে গেলে ঘোমটা দিতে হবে। যখন তখন বাইরে যেতে পারবেনা। ভোর পাঁচটার সময় ঘুম থেকে উঠতে হবে। শীত হোক বা গ্রীষ্ম হোক, ভোরবেলাতেই পুরো চুল ভিজিয়ে স্নান করতে হবে। এইরকম আরো অনেক কিছু। আমার মনে হতে শুরু করলো যেন কোনো পাহাড় আমার মাথায় ভেঙ্গে পড়েছে, এবং এই পরিস্থিতিকে মানিয়ে নেওয়া আমার কাছে অসম্ভব কঠিন লাগতে লাগলো। মনে হত বন্দীর জীবন যাপন করছি, যেখানে আগের মত আর মন খুলে হাসাহাসি বা আনন্দ করার কোন অবকাশ নেই, আছে শুধু সবসময় ভয়ে ভয়ে দিন কাটানো, চোখের জল ফেলা আর একমাত্র অফিসে যাওয়ার জন্য বাড়ির বাইরে বেরোনো। সেই সময়ের একটাই ভালো জিনিস আমার মনে পড়ে, যে আমার শাশুড়ি-মা আর যাই করুন, আমাকে পেট ভরে খেতে দিতেন।

একদিন শাশুড়ি আমাকে এমন কিছু কথা বলেন যেগুলো খুব কষ্টকর ও অপমানজনক ছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও ওনার মুখে মুখে আমি কোনো উওর দিতে পারিনি। পরিবেশটা দুর্বিষহ হয়ে উঠেছিল, এবং পরের দিন সকাল বেলা আমি ঐ বাড়ি থেকে বেড়িয়ে আসি এই ভেবে যে যেখানে আমার কোন সম্মান, মর্যাদা, কথা বলার অধিকার কিছুই নেই, সেই পরিবারে আমার থাকার আর কোনো মানেই হয় না।

কিন্তু বেশিক্ষণ বাইরে থাকতে পারিনি। বাসু আমাকে জোর করে বাড়িতে ফিরিয়ে আনে। সেই দিনটা আমার অন্ধকার ঘরের মধ্যেই কাটে এবং সন্ধেবেলা শাশুড়ির কাছে ক্ষমা চাই। এর ঠিক পরের দিনই শাশুড়ি আমাকে অফিসে ফোন করে বলেন, “তুই তোর মার কাছে চলে যা। এখানে আসবিনা।” আমি খুব চিন্তায় পড়ে যাই, তার সাথে বাসুও বুঝতে পারে না কি করা উচিৎ, কারণ মায়ের অন্যায়গুলো বুঝতে পারলেও ও ওর মাকে কোনো সময় কিছু বলতে পারতোনা। এটা ছিল ওর একটা দুর্বলতা। শেষমেষ আমি শাশুড়ির কাছে ফিরে যাই। রাত্রিবেলা উনি আমাকে বলেন, “বাড়ি ছেড়ে গেলি, তো আবার ফিরে আসলি কেন?” তখন আমি কিছু বাধা না মেনে বেশ কিছু কথা বলে ফেলি যাতে ওনার খারাপ লাগে এবং ফিট হয়ে উনি অজ্ঞান হয়ে যান। অবস্থা দেখে আমি ভয় পেয়ে যাই। এরপর না ঘুমিয়ে উনি সারারাত বাইরে বসে থাকেন। আমরাও জেগে থাকি। তখন বাসু আমায় আড়ালে ডেকে বলে, “একটা ক্ষমা চেয়ে নাও, সব ঠিক হয়ে যাবে।” আমার মনে হল, “আমি তো অন্যায় করিনি, তাহলে ক্ষমা চাইব কেন?” এইরকম প্রায় আধঘণ্টা আমার মনের ভিতর conflict চলতে থাকে। শেষ পর্যন্ত ক্ষমা চেয়েই ফেললাম -- একটা ক্ষমা চাওয়ার ফলে যদি এই পরিস্থিতিটা পাল্টায়! সেই রাতটা হয়তো একটু ঘুমাতে পারলাম কিন্তু পরের দিন থেকে আবার সেই একই পরিস্তিতি। সেই রেগে থাকা, কথা না বলা। তবে ওনাকে দেখে বুঝতাম যে এই সময়গুলোতে উনি নিজেও ভালো থাকতেন না। ঠিক মত খেতেন না, রাতে ঘুমোতেন না, সব সময় একা একা কি যেন ভাবতেন।

এই ভাবেই দিন চলতে থাকে। আমিও ভেবে পাইনা কিভাবে এই পরিস্তিতিটা ঠিক হবে। হয়ত কখনোই ঠিক হবেনা, এই ভেবে ভেঙে পড়তাম। কিন্তু বাসু আমাকে খুব support করতো, বলতো, “এই পরিস্থিতি সবসময় এক থাকবে না এটা আমার বিশ্বাস — মাকে একদিন পরিবর্তন হতেই হবে।” ওর সাথে মন খুলে কথা বলে অনেকটা আশার আলো দেখতে পেতাম। যে কোন পদক্ষেপ নেওয়া আগেই আমরা স্বামী-স্ত্রী আলোচনা করে নিতাম কিভাবে পেশ করলে ওর মা কথাটাকে ভালোভাবে গ্রহণ করতে পারবে। প্রতি সপ্তাহে আমার কাজের জায়গায় আমি আরেকজন কাউন্সেলরের সাথে বসে আলোচনা করতাম, যাতে নিজে ভালো ও সুস্থ থাকতে পারি আর এই পরিস্থিতিটাকে পাল্টানোর উপায়ও ভেবে বার করতে পারি।

Counselling–এর মাধ্যমে এমন কিছু কিছু জায়গাও দেখতে পেতাম যেখানে আমি নিজেকে খানিকটা পরিবর্তন করতে পারি। শাশুড়িকে কিছু বলার আগে সেটা কিভাবে বললে আর ক্ষমা চাইতে হবে না সেইভাবে ভাবতাম এবং সেইভাবে কথা বলতাম। এছাড়া assertive হওয়ার ক্ষমতা নিজের মধ্যে তৈরি করলাম, অর্থাৎ আমার কোনো অসুবিধের কথা বলতে গেলে ওনার কথাটা শুনে নিয়ে তারপর স্পষ্টভাবে নিজের অসুবিধের কথা বলতাম। যেমন ওনার একটা নিয়ম ছিল, যে ভোরবেলা উঠে পুরো চুল ভিজিয়ে স্নান করতে হবে। একদিন যখন উনি এটা আমাকে মনে করিয়ে দিলেন, তখন ওনার কথা পুরো শুনে নিয়ে তারপর আমি বললাম, “দেখো মা, আমার চুল তো অনেক বড়ো, যদি প্রতিদিন ভেজাই তাহলে আমার ঠান্ডা লেগে যাবে। আর তা না হলে চুল কেটে ছোট করতে হবে। এবার বল কি করা উচিৎ।” তখন উনি আর কিছু বললেন না। এই ঘটনাটা এখানে share করলাম কারণ এই যে আমি ওনাকে আমার অসুবিধের কথা যুক্তি দিয়ে বুঝিয়ে বললাম, এটা আগে একদম পারতাম না, ফলে উনিও ওনার নিয়মগুলো রোজ আমাকে মনে করাতে থাকতেন। এইরকমই অনেক ক্ষেত্রেই দেখতে শুরু করলাম assertive ভাবে কথা বলার সুফল।

এইভাবে চলতে চলতে অনেক কিছুই পাল্টাতে থাকলো। শাশুড়ি-মার সঙ্গে আমার সম্পর্ক পুরোটা বদলেছে এটা না বলতে পারলেও কিছুটা বদলেছে আজ এটা বলতে পারি। এইভাবে চলার ফলে শুধু যে নিজের আত্মমর্যাদা বাঁচিয়ে রাখতে পেরেছি তাই নয়, শাশুড়ি-মাকে বোঝার ক্ষমতাটাও অনেকটা বাড়াতে পেরেছি। উনি এমন কিছুও যদি বলেন যাতে আমার বিরক্ত লাগে, আমি react না করে emotion-control করি, মুহূর্তের ঐ সময়টাকে ব্যবহার করি বুঝতে যে উনিও সমাজের বৈষম্যের শিকার এবং নিজে এই সমাজব্যবস্থার শিকার হওয়া সত্ত্বেও এই ধারাটাকেই এগিয়ে নিয়ে যাওয়া ছাড়া আর কোনো ভালো রাস্তা ওনার জানা নেই। কিন্তু আমি যেহেতু শিক্ষিত, আমি যেহেতু “আমরাই পারি (মেয়েদের বিরুদ্ধে হিংসা থামাতে)” অভিযানের সাথে যুক্ত, আমার কাছে অন্য রাস্তা আছে, এটা বন্ধ করার ক্ষমতা আছে। তাই যতদিন না ওনার মানসিকতা পুরো পাল্টাতে পারছি, ওনার প্রতি empathy রেখে এমনভাবে ওনার কথার উত্তর দিই যাতে সমাজের চাপে পড়ে আবার বিনা দোষে ক্ষমা না চাইতে হয়।

এইভাবে চলার ফলে ওনার মধ্যেও অদ্ভুত কিছু পরিবর্তন এসেছে। আজ পরিবারের অনেক বিষয়েই আমি আমার মতামত দিই। বলি, “আমার মনে হয় এটা, তোমার কি মনে হয়?” আর অবাক হয়ে দেখি অনেক ক্ষেত্রেই উনি আমার কথা মেনে নেন। কয়েকবার আমার কাছে ক্ষমাও চেয়েছেন, বলেছেন, “মাথা গরম হলে অনেক কিছুই বলে ফেলি, আমাকে ক্ষমা করে দিস।” এরকম যে হতে পারে, আগে স্বপ্নেও ভাবতে পারতাম না।

আজকাল অফিসে আসার আগে আমার ওপর কাজের বোঝা চাপান না। বলেন, “ছেড়ে দে, সব্জিটা আমি নিজেই কেটে নেবো, তোর দেরি হয়ে যাবে।” এই তো সেদিন সকালে উনি সোয়া পাঁচটা নাগাদ উঠেছেন বাথরুমে যাওয়ার জন্য, আওয়াজ পেয়ে ভয়ে-ভয়ে আমিও উঠে গেছি। আমাকে দেখে বললেন, “এই, এখন উঠেছিস কেন? যা একটু ঘুমিয়ে নে, পরে উঠবি।” হয়তো এগুলো আমার ধৈর্য ধরা ও ভালো ব্যবহারের সুফল, এগুলোই হয়তো আজ ওনাকে পাল্টাতে সাহায্য করেছে।

সত্যি কথা বলতে এখন আমি আমার শাশুড়ি-মাকে অনেকটাই ভালোবেসে ফেলেছি। কখনো কখনো বাপের বাড়ি গেলে ওনাকে খুব মনে করি। সবশেষে একটা কথা বলতে চাই। কোন সমস্যায় পড়লে সেটাকে এড়িয়ে না গিয়ে আমরা যদি সেটাকে ঠিক করার উপায় যদি বার করার চেষ্টা করি, তাহলে হয়তো সম্পর্কগুলোকে হারাতে হয় না। আমি বিশ্বাস করি যে হিংসার বিরুদ্ধে কথা বলার ক্ষমতা আমাদের আছে, এবং এটার সমাধান করার চাবিকাঠিও আমাদের মধ্যেই আছে। ব্যাস একটু খুঁজে নিতে হবে…

No comments:

Post a comment

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here