14 Sep 2013

No More Name-Calling [msc]



Narrated by Tinku Sarder, 13 years, YRC Alor Sandhan, Dum Dum
Recorded by Krishna Goldar, 5th May, 2013. Please see the brief note on MSC for a background on the process.

I am Tinku Sardar, a student of class VII. My home is in Birsa Munda Pally near Dum Dum Airport. People in my neighbourhood - both women and men - are mostly daily labourers. Some also work at tilling land or reaping grain. My father works as a driver while my mother is a housewife. Besides them, our family is made up of my elder sister and myself.

The most significant change has been in myself because I learned to respect people.

My sister and I have grown up together amidst a lot of fun and laughter. We study and play together, sometimes we fight. Earlier if we lost our temper, my sister would call me ‘cross-eyed’. I would feel very sad and cry. Since she is dark-complexioned, I would then have my revenge by calling her a-female-ghoul-that-hangs-from-branches. Then our quarrel would become fiercer. Ma would come and scold both of us.

As a child I had many friends with whom I would play. Sometimes they would upset me by calling me ‘cross-eyed’. I used to run away then, or sometimes I would get into a fight. I would then come and tell my mother. She would tell me not to play with them. She would also go to their homes and tell them not to call me by that name.

Before joining the group, I used to be very mischievous and teased those who were odd – fat, or dark. The more they got angry, the more fun I had. At the group, however I saw that many things were discussed here and everybody respected everybody else. This was different and I liked this very much. The older members used to conduct games and discussions with us – we came to understand lots of things from these discussions.

In this way, one day the topic of discussion was this, that – if we poke fun at someone or anger someone by making fun of her appearance, her complexion or any other feature, then we are doing something wrong by increasing her feeling of inadequacy. Didi posed this question “If someone behaves in this way with me, how would I feel?”

I knew how it felt when people called me ‘cross-eyed’ and other humiliating names. I would also respond with abuses. Because of this, my relationship with a friend deteriorated very much. We even stopped speaking to each other.

After listening to all these discussions in the group, I decided that I would never behave with others in this way again. Even now if I get very very angry, I do talk like this but later I do understand that the other person might have been hurt.

So I went to that friend again and talked to him. I told him that just like he gets hurt when I say bad things, similarly I too get hurt when he does the same. Then I said "let’s never talk to each other like this again". He was silent then, but later he has stopped teasing me, and I too don’t hurt him. In this way, we have been able to forget everything and be friends again.

Tinku with friends


আর গালি দিই না

আমি টিংকু সরদার, পড়ি ক্লাস VII-এ। আমার বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার দমদম এয়ারপোর্ট-এর পাশে বিরসা-মুন্ডা পল্লীতে। আমাদের ওখানকার বেশির ভাগ লোকেরা দিনমজুরের কাজ করে, মহিলা এবং পুরুষ উভয়ই। কেউ কেউ জোগাড়ের কাজ, মাটি-কাটার বা ধান-কাটার কাজ করে। আমার বাবা ড্রাইভার, লোকের গাড়ি চালায়, মা গৃহবধূ। এছাড়া আমি আর দিদি, এই হল আমাদের পরিবার।

আমার দিদির সাথে আমার খুব ভালো সম্পর্ক। ছোটবেলা থেকে আমরা একসাথে আনন্দে মজাতে বড় হয়েছি। আমরা দুজনে খেলাধূলা পড়াশোনা একসাথে করি; কখনো ঝগড়া করি, মারামারিও করি। আগে যখন আমরা দুজনে খুব রেগে যেতাম, তখন দিদি আমাকে ট্যারা বলত। আমি খুব দুঃখ পেতাম, কাঁদতাম। দিদির গায়ের রঙটা যেহেতু কালো, রেগে গিয়ে আমিও ওকে বলতাম গাছে-ঝোলা-পেত্নি। তখন আরো ঝগড়া হতো। মা এসে দুজনকেই বকত।

ছোটবেলায় আমার অনেক বন্ধু ছিল, তাদের সাথে খেলা করতাম। কখনো কখনো ওরাও আমায় ট্যারা বলত। তখন আমার খুব দুঃখ হত। আমি খেলা ছেড়ে পালিয়ে আসতাম, আবার কখনো মারামারি করতাম। মাকে এসে বলে দিতাম, মা বলত ওদের সাথে খেলতে হবে না। মা ওদের বাড়িতে গিয়ে বলেও আসতো আমাকে ট্যারা না বলতে।

দলে আসার আগে আমি খুব দুষ্টুমি করে বেড়াতাম। আমাদের পাড়ায় যারা মোটা, কালো তাদের খুব খেপাতাম। ওরা যত রেগে যেত তত আমার মজা হত। কিন্তু দলে যুক্ত হওয়ার পরে দেখলাম এখানে অনেক কিছু আলোচনা হয় আর এখানে সবাই সবাইকে সম্মান করে। সেটা আমার খুব ভালো লাগলো। দিদিরা আমাদের অনেক কিছু খেলাতো, বোঝাতো। সেইভাবেই একদিন এই ব্যাপারটাও উঠে এলো যে কারো চেহারা নিয়ে, গায়ের রং বা তার যে কোনো বৈশিষ্ট্য নিয়ে যদি আমরা মজা করতে থাকি, রাগাতে থাকি, তাহলে তার খারাপ লাগাটাকে আরো বাড়িয়ে তুলে আমরা একধরণের অন্যায় করছি। দিদিরা প্রশ্ন করেছিল, "আমার সাথে যদি কেউ এইরকম করে তখন আমার কেমন লাগবে"?

আমার তখন মনে পড়ে যায় যে আমার চোখ নিয়ে অনেকেই আমায় খেপাতো। কেউ ট্যারা বলত, বা 'তিন তারকাটা' এইসব বলে আমায় খেপাতো। আমিও উত্তরে বাজে বাজে কথা বলতাম। এর জন্য এক বন্ধুর সাথে আমার সম্পর্ক খুব খারাপ হয়ে যায়, কথা বলাও বন্ধ করে দিই আমরা।

দলে আসার পর এইসব কিছু শুনে আমি ঠিক করি যে আর কখনো এইরকম ব্যবহার করব না কারো সাথে। আমি এখনো খুব রেগে গেলে মাঝে মধ্যে বলে থাকি, কিন্তু তারপর বুঝি যে সে হয়ত কষ্ট পেয়েছে।

তাই আমি আমার ওই বন্ধুটার কাছে গিয়ে কথা বললাম, যে ওকে খারাপ কথা বললে ও যেমন কষ্ট পায়, তেমনি আমাকে ওইরকম বললে আমারও একইরকম কষ্ট হয়। তারপর বললাম "তাহলে আমরা আর কখনো এইভাবে একে অপরকে কিছু বলবোনা"। ও তখন কিছু বলেনি, কিন্তু পরে সেভাবে আমাকে আর খেপায় না – আর আমিও ওর মনে আর দুঃখ দিই না। আমরা এইভাবে সব ভুলে গিয়ে আবার বন্ধু হতে পেরেছি।
 

4 comments:

  1. Yes, sometimes something said in fun can really hurt. So glad you and your friend got back together again.

    ReplyDelete
  2. Sangita Das10/22/2013

    your thoughts inspire me.

    ReplyDelete
  3. shampa halder10/22/2013

    tomar dharona khub sundar abong ai dhoroner chinta bhabna sobar thaka uchit.

    ReplyDelete
  4. tomer chinta khub vhalo .tomaer lekha ta amer khub vhabieache.

    ReplyDelete

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here