17 Sep 2013

Me and my Group [msc]



Narrated by Rina Dhara, 25 years, YRC Alor Sandhan, Dum Dum
Recorded by Binita Chakraborty, 5th May, 2013. Please see the brief note on MSC for a background on the process.

I am the youngest in our family with two elder brothers and two sisters. My eldest brother and sister are married and now there are 8 members in our family. We have three rooms in which all of us live together. My father used to drive a tram, now he is completely out of work. I had to give up my studies after class X. I now work as a beautician, as well as take tuitions from home.

A number of years back, I had seen boys and girls from our adjacent neighbourhood holding a programme in our local field. They were discussing equality of women and men in society. Many people participated in that discussion. I wanted to be part of something like that. A year ago when I saw my friend Pinky holding a discussion in the neighbourhood clubroom with some local boys and girls, I knew that this was my chance to join a group. And so I joined Alor Sandhan [Bengali: "In Search of Light"].

The most significant change for me has been the unconditional love and support I have received from my group. It has helped me value myself and made me want to address my weaknesses.

From childhood, I have been very hot-headed. Let someone at home say something trivial and there I would launch into a tornado, throwing all that I could lay my hands on. I used to hurt myself a lot at these times. I don’t know why it happened, but once I was angry, I just couldn’t control myself. And then when my anger lessened, I would feel very bad. I have thought a lot about this but have continued to lose it every now and then. People at home have talked to me many times; people in my neighbourhood have suggested that my parents should have me exorcised while others have suggested taking me to a psychiatrist.

This was the way things were when I joined Alor Sandhan. I liked all that we did here, and was well and happy for the duration of whatever time I spent here. Group members also started loving me like an elder sister. But something would happen to me when I went home. Little things would spark off quarrels. If someone said anything that went against my opinion, I could not accept it. I would get tremendously angry, hurt myself and break things.

It was one such trivial thing that sparked of a fight with my father some days back. One thing led to another and I grew so angry that I attempted to commit suicide. People at home were very scared. Our neighbours stepped in and saved me. When they succeeded in cooling me down with water and things, the first thing that came to my mind was – why did I do it?

It was afternoon and I was exhausted after all this. I lay down and started browsing through a activity book that our group uses, called “Exploring My World”. I often look through this book, when I am on my own. Flipping its pages, I suddenly felt an urgent urge to meet my group.

Pinky and some other girls from the group were chatting. They asked me what the matter was. When I told them what had happened, they were very scared. They hugged me and had tears in their eyes. They scolded me and also tried to make me understand where I was going wrong. They asked, “How were you making such a big mistake? Why didn’t you think about us even once?” The biggest thing they said was, “The younger ones in the group learn from the older members. If we make such big mistakes, what example are we setting?”

I had never realized that I mattered so much in their lives. That day I told myself that I would have to control my anger in whatever way I could, because if so many people loved me so much, I had no business doing such stupid things.

After this, I cannot say that I have totally succeeded in reducing my anger. I do get angry and most of the times, it is my group members who face the music. When I get angry, either they shut up and hear me out, or do something that makes me laugh. I shout at Pinky most of all, but I know that she is the one who understands me the most.

The group means a lot to me. Whenever I feel sad or alone, I meet up with them. I go to their homes and sit down for a chat. I share my happiness with them in good times, and also in my low moments when I don’t know what to do. I am the happiest when I am with my group. Sometimes I think that I am being able to manage myself only because my group is there. Group members help me a lot. I think of my group as a second home.

I want to make my group stronger in the same way that my group has helped me to find myself in new ways. I want to develop that kind of faith in my group members that will enable them to share whatever problem or feelings they struggle with.

Some members of the group Alor Sandhan. Rina is in the back row, centre. Pinky is to her left almost hidden.


আমি ও আমার দল


আমিই বাড়ির ছোট। আমার দুই দাদা, এক দিদি। বড়দা আর দিদির বিয়ে হয়ে গেছে। এখন বাড়িতে মোট ৮ জন সদস্য। আমাদের তিনটে room, এখানে আমরা সবাই একসাথে থাকি। বাবা আগে ট্রাম চালাতো, এখন একেবারেই ঘরে বসা। আমি মাধ্যমিক পাশ করেছি, এখন beautician-এর কাজ করি, আর তার সাথে সাথে ঘরে tuition-ও করাই।

বেশ কিছু বছর আগে দেখি আমাদের পাড়ার মাঠে পাশের পাড়ার কিছু ছেলে-মেয়েদের একটা অনুষ্টান হচ্ছে। ওরা সমাজে নারী-পুরুষের সমানতা নিয়ে আলোচনা করছিল। অনেক লোক সেই আলোচনায় অংশ নেয়। আমার এই ধরনের কাজ খুব ভালো লাগে। তাই যখন ওদের দলে আমায় আসার কথা বলে, আমি খুব খুশি হই। তবে শেষ পর্যন্ত ওই দলে যোগ দেওয়া হয়নি। এখন মনে হয় ওই পাড়াটাকে নিজের ভাবতে পারিনি, তাই হয়তো দলে যুক্ত হওয়ার তাগিদটা সেভাবে অনুভব করিনি। কিন্তু যেদিন দেখলাম পিঙ্কি পাড়ার কিছু ছেলে-মেয়েদের নিয়ে একসাথে ক্লাবে বসে আলোচনা করছে, সেদিন আমারও খুব ইচ্ছে হল ওখানে যেতে। ওদের মধ্যে অনেকজনকেই আমি আগে থেকে জানতাম, বন্ধুত্ব ছিল। তাই ওরা আমায় যখন ডাকলো, আমি গেলাম।

এই দল তৈরী হয়েছে এক বছর হতে চলল। নাম "আলোর সন্ধান"। এই দলে এসে আমরা অনেক কিছু শিখি, নতুন অনেক বন্ধুও হয়। এই দলে আসার ফলে অনেক পরিবতর্নও এসেছে আমার মধ্যে। সত্যি বলতে এখন এই দল আমার কাছে অনেক কিছু। খুব ভালো সময়েও যেমন ওদের সাথে সব আনন্দ ভাগ করে নিতে ইচ্ছে করে ঠিক সেভাবেই যখন ভীষন মন খারাপ হয়ে যায়, কি করব বুঝে উঠতে পারিনা, তখনও ওদের কাছেই ছুটে যাই।

এই দল আমাকে কতটা প্রভাবিত করেছে সেই ব্যাপারে কিছু বলি। ছোটবেলা থেকেই আমার রাগ খুব বেশি। বাড়িতে কেউ ছোটখাটো কিছু বলল আর আমি তুলকালাম শুরু করে দিলাম, হাতের কাছে যা থাকলো তাই ছুঁড়ে দিলাম। এই সময়গুলোতে নিজেকে খুব আঘাত করতাম। আমি জানিনা কেন এরকম হত, রেগে গেলে নিজেকে কোনভাবেই সামলাতে পারতামনা। যখন রাগ কমে যেত, তখন খুব খারাপ লাগত। অনেকবার ভেবেছি এই নিয়ে কিন্তু প্রত্যেকবারই যখন রেগে গেছি এই একইরকম আচরণ করেছি। বাড়ির লোকেরা অনেক বুঝিয়েছে, পাড়ার অনেকে আমার মা-বাবাকে বলেছে ওকে ঝাড়-ফুক কর, কেউ বলেছে psychiatrist দেখাও।

এইভাবেই চলছিল। এরই মধ্যে "আলোর সন্ধান" দলে যোগ দিলাম। এখানে যা কিছু করতাম সেটাই আমার খুব ভালো লাগত, যতক্ষণ ওদের সাথে থাকতাম পুরোটা সময়ই খুব ভালো থাকতাম। ওরাও আমাকে দিদির মতো ভালবাসতে শুরু করলো। কিন্তু বাড়িতে গেলেই ছোটখাটো ব্যাপার নিয়ে ঝগড়া বেঁধে যেত। কেউ আমার মতের বিরুদ্ধে কথা বললে আমি কিছুতেই মেনে নিতে পারতাম না, প্রচণ্ড রেগে গিয়ে নিজেকে আঘাত করতাম, ভাঙচুর করতাম।

এরকমই কিছুদিন আগে বাড়িতে বাবার সাথে ছোট্ট একটা ব্যাপার নিয়ে তর্ক শুরু হলো; কথায় কথায় এত রেগে গেলাম যে নিজেকে শেষ করে দিতে গেলাম। বাড়ির সবাই খুব ভয় পেয়েছিল। পাড়ার লোকেরা এসে আমায় বাঁচায়। সবাই জল-টল দিয়ে যখন আমায় শান্ত করল, তখন প্রথম যেটা মনে হলো সেটা হল - কেন এরকম করলাম?

তখন দুপুরবেলা, আমি এসবের পরে খুব ক্লান্ত হয়ে পড়েছিলাম। বিছানায় শুয়ে "আমার পৃথিবীর খোঁজে" বলে আমাদের দলের একটা বই নেড়েচেড়ে দেখছিলাম। একা থাকলেই আমাদের দলের যে বইগুলো আছে, বিশেষ করে এই বইটা, উল্টেপাল্টে দেখতে থাকি। সেদিন বইটা দেখতে দেখতে হঠাৎ মনে হলো এক্ষুণি আমার দলের কাছে যাওয়া উচিত।

আমি তখনই ঐ পাড়ায় গেলাম। পিঙ্কি ও আরও কয়েকজন দলের মেয়ে গল্প করছিল। আমাকে দেখে ওরা জিজ্ঞাসা করল, কি হয়েছে আমার? আমি ওদের সবটা বললে সবাই ভীষণ ভয় পেয়ে যায়, আমায় ওরা জড়িয়ে ধরে। তখন সবারই চোখে জল। সবাই আমাকে খুব বকে, বোঝায়ও। ওরা বলে "তুমি কিভাবে এতবড় ভুল করতে যাচ্ছিলে? কেন তুমি আমাদের কথা ভাবলে না একবারও?" আর সবথেকে বড় যে কথাটা বলল "দলের ছোটরা তো বড়দেরকে দেখেই শিখবে। সেখানে আমরাই যদি এরকম ভুল করি, তবে ওরা কি শিখবে?"

আমি যে ওদের কাছে এতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটা এভাবে কখনও অনুভব করিনি। সেদিন আমি নিজেকে বললাম যে, যেভাবেই হোক আমার রাগকে সামলাতেই হবে কারণ এতজন যদি আমায় এত ভালবাসে তাহলে আমার কখনই এইধরনের কিছু করা উচিত নয়।

এরপরে যে আমার রাগ একেবারেই কমে গেছে তা নয়। এখনও রেগে যাই আর বেশিরভাগ সময় আমার দলের সদস্যরাই রাগের প্রকোপে পড়ে। আমি ওদের বকলে হয় ওরা চুপ করে শোনে বা এমন কিছু করে যে আমি হেসে ফেলি। সবথেকে বেশি পিঙ্কিকেই আমি বকি কিন্তু আমি জানি ও আমায় সবথেকে বেশি বোঝে।

এখন যখনই মন খারাপ লাগে বা একা লাগে, ওদের কাছে চলে আসি। ওদের বাড়ি যাই, আড্ডা দিই। দলে থাকলে সবথেকে বেশি খুশি থাকি। মাঝে মাঝে মনে হয় এই দলটা ছিল বলেই আমি নিজেকে এভাবে সামলাতে পারছি। আমার এই চেষ্টাতে দল আমায় খুব সাহায্য করে। এখন আমার মনে হয় দলই আমার আরেকটা বাড়ি।

আমি চাই ওরা যেভাবে আমাকে নতুন করে খুঁজে পেতে সাহায্য করছে, আমিও এই দলটাকে আরো শক্তিশালী করব। সবাই যাতে নিজেদের যে কোনো সমস্যা বা মনের কথা বলতে পারে, সেই ধরণের বিশ্বাস সবার মধ্যে আনতে হবে।

 

4 comments:

  1. Okay... I'm going to learn from this. I get angry all the time too. Thank you for sharing.

    ReplyDelete
  2. Bah khub bhalo laglo sune je tui annoder katha bhebe nijeke bodlabar chesta korchis. Asole chotoder responsibility to boroder nitei hoy. Best of luck to you and all of your group member.

    ReplyDelete
  3. Don't angry In Life Becuse Life Is Small That Enjoy ur life And Fun...07

    ReplyDelete
  4. Azahar sk10/29/2013

    tomar chinta bhabna khub valo .ek din tomar lokhe poichbe.

    ReplyDelete

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here