4 Apr 2013

Things about my Mother that Nobody Knows

Sanatan Sardar
is a member of YRC Ujaan


I am Sanatan. My parents raised me with a lot of love. They worked very hard to secure my future. I often saw my father looking very worried. But they never let me feel it. I know that earlier Ma used to work very hard. She used to wash dishes, mop the floors and cook in other people’s houses. I have two sisters, both are married. Ma always seemed to be more reserved in their presence. It seemed that Ma loved them a little less. I didn’t know why.

One day suddenly I saw a garlanded picture of a lady in my elder sister’s house. When I asked whose picture it was, she said, “My mother’s.” I was shocked! “But she is alive!” I said. Didi said, “No, your mother is different from mine. This is your elder mother. Father married twice. When the first mother died from an illness, he married a second time so that we could be brought up properly.”


I got to know that Baba too secretly carried a lot of pain. And my mother too, knowing and accepting it all, is running the family. They never told me all this. Maybe they thought I would get hurt. Their times were different from ours. Perhaps my father felt that I wouldn’t understand or respect the decision he had taken so many years ago. This is probably what we call a generation gap. Because of this, such a big family secret had been kept from me even when I was 11 years old. I came to know the truth by stumbling upon it. Today I want to tell my parents as well as other parents that we also understand, that it is not necessary to hide such things from us. May we always, the people of different generations, be able to talk honestly and in a spirit of understanding with each other.

At first I didn’t understand why my mother behaved like this with my sisters. Later I thought, maybe this too was a symbol of violence in our society. My mother herself is a victim of discrimination. She was married off when she was 17. She couldn’t protest. An underage girl was married off behind closed doors. Perhaps she had wanted to live independently. But no one had asked her what she wished for. Maybe that hurt and anger was reflected in her behaviour towards my sisters. When she was about to be married, it was her age to be free, to play with friends, to dream about her life. She used to be a student then. Her studies stopped because of marriage. All she can write now is her name. when I study, Ma sits in front of me and says, “If only I too had had an education, today I wouldn’t have to work like this.”

All this happened before I was born. Men and women were not seen as equal by society then, and neither are they now. The way people used to think then, it wasn’t even possible for Ma to open her mouth and articulate her views. Till date, women in society suffer the same fate. Till date, women have fewer rights than men. Not only my mother, women in our society suffer violence at different levels every day. As a result, they are not able to give of themselves or contribute to their own families in the way they could have. My sisters are victims of this. The ill-effects of this are seen in every home. This violence is making one half of the world more powerful, and the other half weaker.

Can our generation try to ensure equal opportunities for women? To see women and men equally? I want to see an equal world, where no woman suffers violence that my mother did.



আমার মায়ের ব্যাপারে কয়েকটা কথা যা কেউ জানে না

আমি সনাতন। ছোটবেলা থেকে বাবা-মায়ের আদর-যত্নে মানুষ। আমার ভবিষ্যৎকে উজ্জল করার জন্য ওরা দুজনেই খুব কষ্ট করে। বাবাকে দেখেছি প্রায়ই চিন্তিত থাকতে। কিন্তু আমাকে কিছু বুঝতে দেয় নি। আমি জানি মা আগে প্রচুর পরিশ্রম করেছিল। অনেকের বাড়িতে বাসন মাজতো, ঘর মুছতো, রান্নার কাজ করত। আমার দুই দিদি আছে, তাদের বিয়ে হয়ে গেছে। ওদের সামনে মা যেন একটু গম্ভীর থাকত। আমার মনে হত মা হয়ত ওদের একটু কম ভালবাসে। জানতাম না কেন।

একদিন হঠাৎ দেখি বড়দির বাড়িতে একটা মহিলার ছবি, তাতে মালা ঝুলছে। জিজ্ঞাসা করলাম "এটা কার ছবি?" দিদি বলল, "এটা আমার মার ছবি"। আমি চমকে উঠলাম। বললাম, "তোমার মা তো বেচে আছে!" দিদি বলল, "না, তোর মা আলাদা, আমার মা আলাদা। ইনি তোর বড় মা। বাবার দুটো বিয়ে। বড় মা একটা রোগে মারা যাওয়ার পর আমাদের মানুষ করার জন্য বাবা আরেকটা বিয়ে করেছিল।"
আমি জানলাম যে বাবারও গোপন অনেক কষ্ট আছে। আর আমার মাও সবকিছু মেনে নিয়ে সংসার করেছে। এই কথা বাবা-মা আমাকে বলেনি। হয়ত তারা ভেবেছিল আমি কষ্ট পাব। বাবা-মা'দের সময়টা আলাদা ছিল, আর আমাদেরটা আলাদা। বাবা হয়ত ভেবেছিল যে অতবছর আগে নেওয়া সিদ্ধান্তটা আমি বুঝব না, সেটাকে মর্যাদা দিতে পারব না। এটাকেই হয়ত আমরা generation gap বলি। তাই পরিবারের এত বড় একটা কথা আমাকে বলা হয়নি আমার ১১ বছর বয়সেও। সত্যি কথাটার ওপর হোচট খেয়ে আমি সেটা জানতে পেরেছি। আজ আমি ওদেরকে এবং অন্য বাবা-মাদেরকে বলতে চাই যে আমরাও বুঝি, আমাদের থেকে লোকানোর দরকার নেই। বিভিন্ন generation -এর মধ্যে যেন সহজভাবে বুঝিয়ে কথা বলাটা আমরা চালু রাখতে পারি।

প্রথম প্রথম আমি বুঝতে পারিনি যে মা দিদিদের প্রতি এইরকম ব্যবহার করেছে কেন? কিন্তু পরে বুঝলাম হয়ত এটা একটা হিংসার প্রতীক। মা নিজেই বৈষম্যের শিকার। ১৭ বছর বয়সে মার বিয়ে হয়। আপত্তি করতে পারেনি। লোকচক্ষুর আড়ালে হয়ে গেল একটা বাল্যবিবাহ। হয়ত মা তখন স্বাধীনভাবে থাকতে চাইত। কিন্তু কেউ তাকে জিঞ্জেস করেনি তার ইচ্ছে কি। মার সেই দুঃখ আর রাগটাই হয়ত প্রতিফলিত হয়েছিল দিদিদের উপর। মার যখন বিয়ে হবার কথা চলছিল তখন তার খেলাধুলার বয়স ছিল। নিজের জীবন নিয়ে স্বপ্ন দেখার বয়স ছিল। মা তখন পড়াশোনা করত। বিয়ে হওয়াতে পড়াশোনা হল না। ফলস্বরূপ মা এখন শুধু নাম সই করতে পারে। আমি যখন পড়তে বসি মা আমার সামনে বসে থাকে। আর বলে, "ইস, যদি আমিও পড়াশোনা করতাম, তাহলে আজ বাইরে কাজ করতে হত না।"
এই ঘটনা হয়েছিল আমার জন্মের আগে। তখন সমাজে মেয়েদের আর পুরুষদের সমানতা ছিল না, আজও নেই। সেই সময় মানুষের যা চিন্তধারণা ছিল, তার সাপেক্ষে মায়ের সেখানে কথা বলার কোনো প্রশ্নই ছিল না। এখনো সমাজে মেয়েদের একই হাল - মেয়েরা এখনো কম অধিকারপ্রাপ্ত। শুধুমাত্র আমার মা নয়, আমাদের সমাজে মহিলারা প্রতিনিয়ত সমাজে কোনো না কোনো স্তরে হিংসার শিকার হচ্ছে। ফলে তারা নিজেদের সংসারে যেভাবে নিজেদের মেলে ধরতে পারত, যা কিছু দিতে পারত, তা পেরে উঠছে না। আমার দিদিরা তার ভুক্তভোগী। ঘরে ঘরে এর খারাপ প্রভাব দেখা যায়। এই হিংসার জন্য সমাজের একটা ভাগ শক্তিশালী হচ্ছে আর আরেকটা ভাগ দুর্বল হয়ে যাচ্ছে।

আমাদের প্রজন্ম কি চেষ্টা করতে পারি মেয়েদের সমান সুযোগ দিতে? ছেলেদের ও মেয়েদের সমানভাবে দেখতে? আমি সমাজের এই দুই অংশকে সমান দেখতে চাই, যাতে আমার মায়ের মত কোনো মহিলা হিংসার শিকার না হয়।
--

10 comments:

  1. You know, Sanatan, with people like you around, maybe in the next two generations, people will not have to ask these questions.

    I'm a woman and I'm finally glad to see a man wonder why women are treated so badly. I once interviewed a group of women who were being 'empowered' by an NGO and they said, it's all very well to tell US that we must be strong and independent. We WANT to be strong and independent. You don't have to educate us, you have to educate our men.

    And that is so true.

    Almost every day, I think, I hate men. Then I remember that all men are not so stupid. Thank you for being one of the not stupid ones.

    ReplyDelete
  2. Hi Sanatan,
    You are very sensitive to the plight of women and this is very rare among most men.
    Illiterate and literate women both suffer violence and both endure in silence. The most important thing is self confidence. Education will give these women wings and confidence will help them fly.
    Since you are such an enlightened youth- you must try to influence other men among your friends, community and locality. Slowly- this message can be spread.
    Women need help and only people like you can help.
    Spread your message. Lot of men will call you names but remain courageous and strong.
    Molshri

    ReplyDelete
  3. Hi Sanatan,
    I found your story really interesting. I have met many young boys who feel angry and hurt about the violence their mothers face and they feel helpless. Yet as they grow up and move outside home and mostly in the company of other men they forget their feelings about how wrong it was for women to be abused. And many repeat the same violence with their girlfriends and wives.
    It would be good to share your story with many young men and boys to get them to think and ask the questions you ask.
    Thanks and keep thinking and acting.
    best wishes,
    mona

    ReplyDelete
  4. Anonymous4/10/2013

    Thank you

    ReplyDelete
  5. Sanatan
    Such a nice blog. Your fells are so touchable. You are really brave.
    Jagannath

    ReplyDelete
  6. Anonymous4/10/2013

    Thank you - Sanatan

    ReplyDelete
  7. I salute you sanatan. you are a really strong boy. your feelings really touch me,i respect your thoughts. I also believe that children understand their parents. You are very open and accepting...You are really brave.

    ReplyDelete
  8. Anonymous5/23/2013

    Tor lekha ta amar mon chua gache. And good job
    PIYALI

    ReplyDelete

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here