16 Apr 2013

Hope Has Wings

Piyali Paul
This is Piyali's second post
read her earlier post


I live in a small neighbourhood adjacent to the Netaji Subhas Chandra Bose International Airport, and I've grown up watching aeroplanes. When I was small, I would make paper planes and fly them, and when an aircraft flew overhead, I would dream 'when I grew up, my husband will take me on a plane to a faraway place…'

From childhood I was a bit different, not like other kids. My parents would usually not be at home. I was the one who had to look after my younger brother, and hence most of my time was spent with him. I used to play by myself with him by my side. Sometimes I would climb big trees. Sometimes when the snake charmers came to town, I would follow them through the neighbourhood all afternoon, my brother in my arms, until evening.

I used to think that I would need another person to fulfill my dreams. I never imagined that I would get an opportunity to do so myself! So when I first heard that I would need to FLY to Delhi for a workshop, a riot of feelings started in me! I wasn’t able to share these with anyone. And I will never forget the date – 19th November, 2012.

Till the morning of the departure, I was feeling both thrilled and very scared. I thought, how would I fly so far when I don’t know any English? There could be so many problems. Whom would I ask, who would help me? I worried about a lot of other things.

At last I set out for Delhi. I went to the airport, took my boarding pass, and then I boarded the aircraft! When it took off into the sky, I got terrified for moment, but gradually everything settled down. Looking out of the small windows, I felt I had arrived in a land of dreams! The way the clouds floated by in front of my eyes, and the sunlight fell just so – how lovely it all was! I was having a lot of fun. I kept thinking how wonderful it would have been if my brother and mother were there with me! I was remembering them a lot. Once I thought, this isn’t a dream, is it? I actually pinched myself to be sure!

Even now I think back - what a time it was – my very first flight! Everyone has both good and bad experiences in life; this was a very beautiful experience for me. It occurred to me that I didn’t need to get married to fly in plane, I didn’t need a husband! I remembered those childish thoughts and had a good laugh by myself! I think (and this is especially for girls) that one doesn’t need to keep waiting for someone to turn up and help them fulfill their dreams. One can be optimistic and fulfill one’s dreams herself!



আশার ডানা

আমি দমদম নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বসু আন্তজাতিক বিমান বন্দরের পাশে একটা ছোট্ট পাড়াতে থাকি, তাই ছোট থেকেই প্লেন দেখতে দেখতে বড় হয়েছি। ছোট বেলায় কাগজের প্লেন বানিয়ে আকাশে ওড়াতাম, আর মাথার ওপর দিয়ে যখন প্লেন উড়ে যেত মনে মনে ভাবতাম আমি যখন বড় হব তখন আমার বরের সাথে প্লেনে করে অনেক দূরে বেড়াতে যাবো!

ছোট থেকে আমি একটু অন্য রকম ছিলাম, আমি আর পাঁচটা ছেলে মেয়েদের মত নয়। আমার মা বাবা কেউ বাড়ি থাকত না, আমার একটা ছোট ভাইকে দেখাশোনা করতে হত, তাই আমার ছোটবেলাটা বেশীর ভাগ সময় কাটতো ভাইকে নিয়ে। ওকে সঙ্গে নিয়ে আমি মাঝে মাঝে নিজের মনে খেলতাম; কখনো বড় বড় গাছে উঠে পরতাম, কখনো সাপুরীয়ারা যখন সাপ খেলা দেখাতে আসতো, তখন আমি ভাইকে কোলে নিয়ে তাদের পিছন পিছন সারা পাড়া ঘুরে বিকাল বেলা ফিরতাম।

আগে ভাবতাম যে আমার স্বপ্ন পূরন এর জন্য অন্য এক জন ব্যক্তিকে লাগবে। আমি যে নিজেই নিজের স্বপ্ন পূরন করতে পারি, আর আমার জীবনে এমন একটা সুযোগ আসবে সেটা আমি ভাবিনি। আমি যখন প্রথম শুনলাম যে আমাকে দিল্লী যেতে হবে, এরোপ্লেনে চড়ে, তখন আমার মনের নানা রকমের অনুভূতি হয়েছিল। আমি সে কথা কাউকে বলতে পারছিলাম না।

অফিস থেকে বলা হল যে ১৯ নভেম্বর ২০১২ তারিখ দিল্লীতে তারিখে দু-দিনের ওয়ার্কশপ হবে, আর আমি সেখানে অংশগ্রহণ করব। যাওয়ার আগের দিন সকাল পর্যন্ত নিজের মনের ভিতর অনেক আনন্দ আর ভয় হয়েছিল; ভাবছিলাম, ইংরাজী তো জানিনা, কি ভাবে এত দূর প্লেনে করে যাব? অনেক সমস্যা হতে পারে! আরও ব্যাপার ছিল যেগুলো নিয়ে খুব চিন্তা ছিল।

[One of the many pictures taken by Piyali
with her mobile phone camera, from her seat 26 A]
অবশেষে দিল্লী যাবো বলে রওনা হলাম। এয়ারপোর্ট গেলাম, বোর্ডিং পাস নিলাম, তারপর প্লেনে উঠলাম! প্লেনটা যখন আকাশের দিকে উড়ল তখন খুব ভয় পেয়েছিলাম, কিন্তু আস্তে আস্তে সব ঠিক হয়ে গেল। প্লেনের ভিতর থেকে ছোট ছোট জানালাগুলো দিয়ে বাইরের তাকিয়ে মনে মনে ভাছিলাম স্বপ্নের দেশে চলে এসেছি! মেঘগুলো আমার চোখের সামনে এমন ভাবে ভাসছে, সূর্যের আলোটা এমন ভাবে পড়ছে, এত সুন্দর লাগছে! মনে মনে খুব মজা করছিলাম। শুধু ভাবছিলাম যে ভাই আর মা যদি সঙ্গে থাকত তাহলে কত ভাল হত! ওদের কথা খুব খুব মনে করছিলাম। আবার হটাত খেয়াল হলো ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে সপ্ন দেখছি না তো? তাই নিজেকে একটু চিমটি কেটে দেখছিলাম।

এখনও ভাবি যে প্লেনের ভিতরে ঐ সময়টা আমার কাছে কি ছিল! প্রত্যেকটা মানুষের জীবনে ভালো খারাপ দুইই অভিজ্ঞতা হয়। আমার জীবনের এই আভিজ্ঞতাটা অনেক সুন্দর ছিল। ভাবছিলাম যে প্লেনে করে যাওয়ার জন্য আমার বিয়ে করার কোন দরকার নেই, আর বরের কোন দারকার নেই! ছোট বেলার ওই কথাগুলো ভেবে একা একা খুব হাসছিলাম! আমার মনে হয়, বিশেষ করে মেয়েদের, নিজের সপ্ন ও আশা সার্থক করার জন্য অন্য কোন ব্যক্তিকে দরকার হয় না। আশাবাদী হয়ে নিজেই নিজের সপ্ন বা আশা পূর্ণ করা যায়!
--

4 comments:

  1. Oh, I hope you got a window seat.

    ReplyDelete
  2. Hope you are able to take your brother and mother soon....keep flying :)
    mona

    ReplyDelete
  3. Anonymous4/26/2013

    Dream big and keep on dreaming Piyali :) good luck

    ReplyDelete
  4. I Hope ur dreams with come....07

    ReplyDelete

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here