22 Mar 2013

Youth Matters

Sangita Das
this is Sangita's third post
read her earlier post


I am Sangeeta, perhaps you know me. I work as a youth facilitator in Thoughtshop Foundation. I live in a place called Kadihati that you can reach after crossing Dum Dum Airport.

Sometime back, in February, I got the opportunity to participate in a Youth Consultation Meet in Puri [Orissa], to discuss the needs of young people. About 65 young people from West Bengal, Jharkhand and Orissa, came to present their opinions at the East India Chapter of this Consultation. I gathered that our recommendations would go straight to the UN, and they would be taken into account to frame new laws on Youth Needs in 2015. I was feeling very proud and excited, I had never thought my opinions would one day get so much importance!

The journey for the nine of us from Thoughtshop Foundation started at the Howrah station, aboard the Garib Rath Express. We reached the next day at dawn, and took an auto to Hotel Gajapati. On the way, looking at the sea, I was feeling that there was in me a life-force as tumultuous as the sea, which couldn't be contained!

The first session was that very morning. Young people like to have fun, so we got to know each other's names through a game. Then we were given yellow and pink paper and asked to write about our expectations from the consultation and what we wanted to contribute to it. We were then divided into different language groups, and we started to discuss what young people really need.

I was very nervous in my role as a youth facilitator. When the need for sex-education and life-skills came up, I felt that as an adolescent, I had also needed these things. Why periods happen, is there anything to be scared of in this regard – I used to keep asking myself these questions. If I had known at that time that it was a natural process, I would have been very relieved. I felt this was really necessary for young people to know.

On the second day, we talked about the different kinds of needs young people in different places have. I got to know that in Jharkhand, they give Rs. 500 for mining one basket of coal. Young people get into it for the money, unaware of the great risks of this livelihood.

Sangita presents conclusions of her group
see more photos
Then everyone was given bindis [colour-dot stickers] to vote on the needs which they thought were the most important for young people. This presented tough choices for me. Every need we had discussed seemed necessary and important. After the voting, we had a discussion on Gender Equality and Violence. Brainstorming the recommendations, strategies and indicators kept us engaged us till 2 am! The next day we had to present these in front of the larger group.

The three days went by in a blink! Still, we managed to find time to see the world-famous Jagannath temple and buy gajas [deep fried sweetmeats] on our way back to the hotel. We felt full just from tasting the gajas of different shops! We saw the Konarak temple as well, and had fun dips in the sea too. The first time I was near the sea, I was too impatient to even take my socks off! My friends couldn't stop laughing!

After returning home, I am taking a lot of pride in the fact that I, Sangeeta, have been a spokesperson for my peers and been able to talk about our needs to the UN itself! I am waiting for the laws to come out in 2015!





নতুন যৌবনেরই দূত


আমি সঙ্গীতা। হয়তো আপনারা আমাকে চেনেন – আমি Thoughtshop Foundation-এ youth facilitator হিসেবে কাজ করি। দম দম এয়ারপোর্ট ছাড়িয়ে, 'কাদিহাটি' অঞ্চলে থাকি।
আমি এই গতমাসে একটা youth consultation এ যাওয়ার সুযোগ পেয়ে গেলাম, যার ধ্বনি শোনা যাবে UNO তে, যেখানে পৃথিবীর হাজার হাজার ইউথের মতামতের সঙ্গে সঙ্গে আমারো মতামত থাকবে। এটা ভেবে আমার খুব গর্ব হচ্ছিল, খুব excited ছিলাম।

আমরা ৯ জন হাওড়া স্টেশন থেকে রাতের গরীব রথ এক্সপ্রেসে উঠে পরলাম পুরীর উদ্দেশ্যে, পৌঁছে গেলাম পরের দিন ভোরে। স্টেশন থেকে বেরিয়ে অটো করে হোটেল গজপতিতে এসে উঠলাম। পথে পুরীর সমুদ্রের দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছিল যে আমার মধ্যেও যেন ঐ সমুদ্রের মতই একটা উচ্ছাস আছে, যাকে বেঁধে রাখা যায় না!

প্রথম দিনের সেশন শুরু সকাল সকাল। এই consultation-এ ঝাড়খন্ড ও উড়িষ্যা থেকেও যুবরা এসেছিল। আমরা ইউথরা মজা করতে ভালোবাসি, তাই মজার মাধ্যমে একে অপরের নাম জেনে ফেললাম। এরপর আমাদের হলুদ আর গোলাপী রঙের কাগজ দিয়ে বলা হলো এই consultation এর থেকে আমরা কি পাওয়ার আশা করছি (expectation) আর কি দিতে চাইছি (contribution) সেটা লিখতে। এরপর আলাদা আলাদা ভাষা অনুযায়ী গ্রুপে ভাগ হয়ে গিয়ে Youth Needs নিয়ে আলোচনা শুরু হলো। একজন ইয়ুথ facilitator হিসেবে খুব নার্ভাস লাগছিল। আলোচনার মাধ্যমে যখন sex education ও life skills-এর প্রয়োজনীয়তার কথা উঠে এলো, তখন মনে হচ্ছিল এইগুলো আমারও খুব প্রয়োজন ছিলো যখন আমি adolescent ছিলাম। কেন মাসিক হয়, সেটা নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু আছে কিনা – এই প্রশ্নগুলো খুব কাজ করতো নিজের মধ্যে। এটা যে একটা স্বাভাবিক প্রক্রিয়া সেটা জানতে পারলে সেই সময়টায় খুব নিশ্চিন্ত হতে পারতাম। এখন মনে হয় এই শিক্ষাটা খুবই দরকার প্রত্যেকের জীবনে।

দ্বিতীয়দিন আমরা বিভিন্ন জায়গার ইউথদের বিভিন্ন নীডগুলো নিয়ে কথা বললাম। জানতে পারলাম – ঝাড়খন্ডে এক ঝুড়ি কয়লা তুললে ৫০০ টাকা দেওয়া হয়। ওখানকার যুবরা কয়লা তোলার সময় কি কি বিপদ হতে পারে তা না জেনেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে কয়লা তোলে। তারপর সবাইকে পাঁচটা করে টিপ দেওয়া হল – যে চাহিদাগুলো সবচাইতে দরকারী মনে হবে, সেগুলো চিহ্নিত করার জন্য। আমার কাছে ভোট দেওয়াটা খুব কঠিন লাগছিলো। মনে হচ্ছিল যে সবকটাই প্রয়োজনীয়, গুরুত্বপূর্ণ। ভোটিং পর্ব শেষ হওআর পর আমরা Gender Equality and Violence নিয়ে আলোচনা শুরু করলাম। এই সম্বন্ধে UN এর কাছে পরামর্শ বিষয় (recommendation), পদ্ধতি (strategy), সূচক (indicator), এইসব ভেবে বের করতে করতে রাত দুটো বেজে গেলো। পরের দিন সকালে সবার সামনে পেশ করতে হয়েছিল।

তিন দিন যেন হাওয়ার মতো কেটে গেল। এর মধ্যেও সময় করে আমরা পুরীর বিশ্ববিখ্যাত জগন্নাথ মন্দির দেখতে গিয়েছিলাম। মন্দির দেখে হোটেলে ফেরার পথে বিভিন্ন দোকানের গজা কিনলাম। টেস্ট করতে করতেই পেট ভরে গেল! কোনারক মন্দিরও ঘুরে দেখেছি। সমুদ্রে সবাই মিলে মজা করে স্নানও করেছি। প্রথমবার তো সমুদ্রের কাছে গিয়ে তর সয় নি, মোজা পরেই নেমে গেছিলাম। তাই নিয়ে বন্ধুদের কি হাসাহাসি!

বাড়ি ফিরে আসার পর আমার খুব গর্ববোধ হচ্ছিল। আমি, সংগীতা, আমারই মত বিভিন্ন যুবদের চাহিদা গুলো UN এর কাছে পৌছাতে পেরেছি। যখন এই চাহিদা গুলোই আইনের রূপে বের হবে তখন আমার ভাবনাচিন্তাও ওখানে থাকবে ভেবে খুব আনন্দ হচ্ছিল। আপাতত আইনটা বেরোনোর অপেক্ষায় আছি !
--

3 comments:

  1. Anonymous4/04/2013

    And what were the young men in these discussions saying?
    Kushal Gulab

    ReplyDelete
  2. I want to see these laws come out too, Sangeeta. Can you write about what you discussed and what you feel about it? And what were the young men in these discussions saying?

    ReplyDelete
  3. Hey Sangeeta,
    You really seem to have had a good time. I really enjoyed reading your story. Wonderful that you got the opportunity to travel, meet new people; discuss, teach and learn. Also, nice to hear that your thoughts are being taken seriously.
    The first time I saw the sea was in Digha and I was a child. It was scary but amazing too. Isn't that how life is?
    Hope you continue to have fun and spread your knowledge everywhere :)
    Molshri

    ReplyDelete

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here