20 Feb 2013

Dilli Chalo!

Sangita Das
this is Sangita's second post
read her earlier post

Recently I got the chance to go to Delhi on a meeting related to the We Can Campaign, which speaks out for the equality of women and men.

I was going to Delhi for the first time, so I was very excited! Four others were travelling with me, and our train was at 8.30 am from Howrah station. The night before, I didn't sleep at all – I would have to get up early, I shouldn't miss the train!

"Toofan Express" turned out to be a painfully slow train. The moment it reached Bihar, we had a novel experience. A family with tons of luggage boarded the train and told us that we would have to let them sit. We gave them space, which the family held on to for a full 3 hours, and before getting down, announced, "You were fools to let us sit." Maybe only fools find themselves doing something for others. If this was the case, I prayed to always remain a fool.

We had good experiences too. It was hard to find dinner, so Tehsina and Shahina's friend Shamsad, a resident of Patna, met us at Patna station and gave us rotis, chicken, apples, rasgullas and water bottles to sustain us for the night. We fell fast asleep after our meal.

Next day at dawn, on opening my eyes, I found someone sitting nearly on top of my feet. "Please get up, my feet are touching you", I told him. He got up saying, "I'm letting you get away scot free as you are a woman. If you were a boy, I would have beaten you up and thrown you out of the window!" Again in the afternoon, a policeman came and forcefully parked himself on our seat. We sat and watched him grind khoini [chewing tobacco] and eat it. There was yet another visitor who wanted to sit in our space. Anyway, amidst this perpetual sitting and getting up, our train reached Delhi at 3.30 in the night. We boarded an auto from Delhi station and reached the YMCA, where we would stay for the duration of our trip.

The next day, our workshop started at 2 in the afternoon in the YMCA auditorium. That night, we organized a small candle rally for our "We Can" campaign. We met many interesting people at the programme - one of the participants recited inspiring poetry; another shared her story, how she has struggled to raise her three daughters and made them doctors. Then there was a session which taught us how to use social networking to reach out with our work to more and more people.

Sangita and Shampa at the Agra station
After the programme, we went out to explore Delhi. We took a bus to Red Fort, and roamed about in Meena Market. The next day we went to Agra to see the Taj Mahal. We were very excited about it and it really made us very happy! On our return from Agra we had to wait a long time in the cold station; the trains to Delhi were so crowded that we couldn't board any of them. A gentleman from the army helped us out. We reached Delhi in the morning, shopped for a bit, then an Army car dropped us off back at the station. This time we were to return home by the Rajdhani Express. We had become such good friends with that young army man, and he helped us such a lot in an unknown city, that I will always remember it. 

This trip has reduced my fear of travelling to distant places on my own responsibility. I have learnt how to locate my own seat in the train, which used to confuse me earlier. Earlier I used to be scared of getting lost. Now I want to travel to more and farther places on my own, as these journeys make me stronger and help keep the windows of my mind open.

দিল্লী চলো!

আমার নাম সঙ্গীতা। আমি উত্তর ২৪ পরগনায় থাকি। আমি আমরাই পারি বলে একটা ক্যাম্পেনের সঙ্গে যুক্ত আছি, যেখানে নারী-পুরুষের সমানতা নিয়ে কথা বলা হয়। ইদানিং কালে এই ক্যাম্পেনের একটা মিটিং-এর জন্য আমার দিল্লী যাওয়ার সুযোগ হয়।

প্রথমবার দিল্লী যাবো, খুব excited ছিলাম। আমার সঙ্গে আরো ৪ জন ছিল। আমাদের যাওয়ার ট্রেন ছিল সকাল ৮।৩০-তে, হাওড়া থেকে। আমার তো আগের দিন রাতের ঘুম হয়নি, সকাল সকাল উঠতে হবে, ট্রেন যেন miss না হয়।

আমাদের ট্রেন-এর নাম আবহ তুফান মেল এক্সপ্রেস, কিন্তু ট্রেন-টা তুফান-এর মত যাচ্ছিল না। বিহার-এ পৌছে এক নতুন অভিজ্ঞতার সাক্ষী হলাম। বিহার থেকে প্রচুর মাল-পত্র নিয়ে একটা পরিবার উঠে আমাদের বলল তাদের বসতে দিতে হবে। আমরা জায়গা দিলাম। ওনারা পাক্কা ৩ ঘন্টা সিট-এ বসলেন, এবং যাওয়ার সময় বলে গেলেন, "তোমরা বোকা বলে আমাদের বসতে দিলে।" যাই হোক, কথা শুনে মনে হল যারা বোকা, তারাই মানুষের জন্য কিছু করে। আমি যেন এরকম বোকাই রয়ে যাই।

ভালো অভিজ্ঞতাও কম হয়নি আমাদের। আমাদের রাতের খাবার পেতে অসুবিধে হচ্ছিল। পাটনা-এ তেহসীনা আর শাহীনা-র বন্ধু সমসদ থাকে। ও আমাদের এনে দিল রুটি, চিকেন, আপেল, জলের বোতল আর রসগোল্লা। আমরা রাতের খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়লাম।

পরের দিন ভোরবেলায় চোখ খুলে দেখি প্রায় আমার পা-এর ওপর একজন বসে আছেন। আমি তাকে বললাম "আপনি উঠে যান, আমার পা আপনার গায়ে লাগছে।" উনি উঠে গেলেন এটা বলতে বলতে, "তুমি মেয়ে বলে বেঁচে গেলে, ছেলে হলে মেরে জানলা দিয়ে ছুড়ে ফেলে দিতাম।" আবার দুপুরবেলা একজন পুলিশ এসে জোর করে আমাদের সিট-এ বসলেন। বসে আমাদের সামনে খৈনি বানিয়ে খেলেন। তারপর আরো একজন উঠে আমাদের সঙ্গে ঝগড়া করে আমাদের সিট-এ বসলেন। যাই হোক, এরকম ক্রমাগত বসা-ওঠা করতে করতে আমাদের ট্রেন রাত ৩।৩০-তে দিল্লী এসে পৌছলো।

আমরা দিল্লী স্টেশন থেকে অটো ধরে YMCA-তে এসে পৌছলাম। এখানেই আমাদের থাকার ব্যবস্থা হয়েছিল। পরের দিন আমাদের ২-টো থেকে কর্মশালা ছিল ওখানকার auditorium-এ। রাতের দিকে আমরা ছোট্ট একটা candle-rally করলাম আমাদের "আমরাই পারি" ক্যাম্পেন নিয়ে। তারপর দিনের session-এ অনেকের সঙ্গে আলাপ হলো, যেমন মৈত্রী ম্যাডাম, অনামিকা ম্যাডাম, নরেশ স্যার ইত্যাদি। অনামিকা ম্যাডাম-এর কবিতা শুনলাম। মৈত্রী ম্যাডাম-এর কথা শুনলাম, উনি কি করে নিজের জীবনে কষ্ট করে তিন মেয়েকে ডাক্তার করেছেন। তারপর একটা session হলো যেখানে আমরা শিখলাম কি করে আমরা আমাদের message-কে Social Networking-এর মাধ্যমে আরো বেশি মানুষের কাছে পৌছতে পারি।

প্রোগ্রাম শেষ হওয়ার পর আমরা lunch করে দিল্লী ঘুরতে বের হলাম। প্রথমে আমরা বাস-এ করে লালকেল্লা দেখলাম। তারপর আমরা মীনা মার্কেট ঘুরলাম। তার পরদিন আমরা আগ্রায় গেলাম তাজ-মহল দেখব বলে। খুব excited ছিলাম, দেখে খুব আনন্দও পেলাম।

আগ্রা থেকে দিল্লী ফেরার সময় আমরা আগ্রা ক্যান্ট স্টেশনে বসে dinner করলাম। এখানে ঠান্ডার মধ্যে আমাদের অনেকক্ষণ কাটাতে হয়েছিল। দিল্লী যাওয়ার ট্রেন-এ এত ভীড় হয়েছিল যে আমরা একটাতেও উঠতে পারছিলাম না। এই সময় Army-র একটি ছেলে আমদের খুব সাহায্য করেছিল। Army-র কামরাতে আমাদের ওঠার ব্যবস্থা করে দিয়েছিল। আমরা ভোর ৫।৩০-তে দিল্লী পৌছেছিলাম। তারপর একটু মার্কেটেও ঘুরে নিলাম। Army-র গাড়ি-ই আমাদের আবার দিল্লী স্টেশনে পৌছে দিল। Army-র ওই ছেলেটি অচেনা শহরে আমাদের যেভাবে সাহায্য করেছিল, সেটা কোনদিন ভুলব না। আমরা এবার রাজধানী এক্সপ্রেসে বাড়ি ফিরলাম।

দিল্লী ঘুরে এসে আমার মধ্যে একা একা দূরে যাওয়ার ভয় কেটেছে। দূরপাল্লার ট্রেন-এ নিজের সিট খুঁজে নিতে শিখেছি। আগে ভাবতাম হারিয়ে যাব। এখন মনে হয় আরো দূরের জায়গায় যাবো, কারণ এই journey-গুলো আমাকে অনেক সক্ষম করে তোলে আর মনের জানলা খুলে দেয়।

No comments:

Post a comment

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here