7 Oct 2012

I Believe - Piyali

Piyali Paul is a member of YRC Drishtikon (2008)
Change Maker, Youth Trainer (2011)
and Peer Counsellor (2012)
more on facebook 


"I believe that women should get equal rights with men in society"
Piyali

When I think of the incidents of my life, I feel that I am a girl, I too am a human being from whom her childhood has been snatched away.
I never got the material things and the space a child needs when she is growing up, as from as long as I can remember, I had to manage the household and bring up my baby brother. I had to fetch water from a long way away. People used to say, “Dragging water buckets like these, she will never grow tall!” Some said, “Such suffering!” while some others said with a slight smile, “Don’t worry, she is used to it”.

When it was evening, I wanted so much to play, but what to do – my brother would be in my lap, nothing doing. The friction of carrying him around all day caused a skin inflammation on my side; those marks are still there. When everybody would sleep in the afternoon, I would to do all the housework. The soiled utensils I washed would call out to me, “Who are you?” I lived like a caged bird – I would look upon my world from inside my room. Managing my brother, managing home – were these all that I was supposed to do with my life? Once my brother fell very ill, and my schooling stopped. They sent me to my maternal uncle’s house. I returned after two years. Life continued just as before.

Suddenly one day I met two girls who conducted a game in my neighbourhood in which I participated – these girls were like God-Sent. This game showed me a different picture of society – opposite to what I had been used to – a society where girls also go to school, girls also play and receive affection. These two girls connected me with an organization called Thoughtshop Foundation. From here I learnt that like all other people, I also had the right to respond to the call of my wishes and dreams.

Ever since then, I question things – myself, and what I see around me. Even now, when I see the girl next door alone at home, I feel saddened. Everybody else goes out on their work but she is the woman, the wife! She can’t go out. I feel a deep yearning in me to see women in society get a place of their own, which in no way is less than the space and opportunities men enjoy. Let the future fulfil all women’s dreams.

I believe that I will fulfil this in my own life and show others that we too can.





"আমি বিশ্বাস করি যে সমাজে মহিলাদের পুরুষদের সাথে সমান অধিকার পাওয়া উচিত"
পিয়ালী

আমি যখন আমার জীবনের ঘটনাগুলো ভাবি, তখন মনে হয় যে আমিও একটা মেয়ে, আমিও একটা মানুষ, যার থেকে তার ছোটবেলা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। একটা শিশুর ছোটবেলায়ে যাযা জিনিসের বা জায়গা পাওয়া দরকার সেটা কোনদিন পাইনি, কারণ যত দূর পর্যন্ত মনে পরে, আমিই পুরো সংসার সামলিয়েছি আর ছোট ভাইকে মানুষ করেছি। আমাকে অনেক দূর থেকে জল আনতে হত। অনেকে বলত “জলের বালতি টানতে টানতে নাটা হয় যাবে মেয়টা!” আবার কেউ বলত “ইশ কি কষ্ট”, কেউ বা মৃদু হেসে বলত “না না, ওর অভ্যাস আছে”।

যখন বিকেল হত তখন খুব ইচ্ছে করত সবার সাথে খেলতে। কিন্তু কি করব ভাইকে কোলে নিয়ে থাকতে হত, কিছু করার নেই। ভাইকে কোলে নিতে নিতে আমার কোমরে যার কাটা হয়ে গেছিল, সে দাগ এখনো আছে। দুপুর বেলা যখন সবাই ঘুমিয়ে পড়ত তখন আমি ঘরের সব কাজ করতাম, বাসন মাজতাম, সেই বাসনের শব্দ ডাক দিত “কে তুমি?” আমার জীবনটা যেন খাঁচা-বন্দী পাখির মত ছিল। সেই পাখি যেমন খাঁচার ভেতর থেকেই তার পৃথিবীটা দেখতে পায়, তেমনি আমি আমার পৃথিবীটাকেও ঘরের ভেতর থেকে দেখতাম। ভাইকে মানুষ করা আর এ সংসার সামলানো শুধু এগুলোই কি আমার কাজ? এক সময় আমার ভাইয়ের খুব শরীর খারাপ হয়, আর আমার স্কুল বন্ধ হয়ে যায়। আমাকে মামার বাড়ি দিয়ে আসা হয়। দু-বছর পর বাড়ি ফিরে আসি। আবার ঠিক আগের মতই জীবনটা চলতে থাকে।

কিছুদিন পর হঠাত করেই ভগবান দুটো দিদিকে পাঠিয়ে দেন আমাদের পাড়ায়ে। ওরা একটা গেম করায় আর আমি সেই গেমে অংশগ্রহণ করি। এই গেম আমায় সমাজের অন্য একটা ছবি দেখালো - যে সমাজে আমার চেনা জায়গা তার ঠিক উল্টো! এমন একটা সমাজ যেখানে মেয়েরাও স্কুলে যায়, খেলা করে, আদর পায়। এই দুটো দিদির মাধ্যমে আমি থটশপ ফাউণ্ডেশন নামক একটা সংস্থার সঙ্গে জুড়ে গেলাম। এখান থেকে জানলাম যে প্রত্যেক মানুষের মত আমারও অধিকার আছে আমার ইচ্ছের ডাকে সারা দেওয়ার।

তার পর থেকে আমি প্রশ্ন করতে শিখি – নিজেকে আর আসে-পাশের সমাজকে। এখনো আমার পাসের বাড়ির বৌদি যখন একা একা থাকে তখন আমার খুব কষ্ট হয়। ওদের বাড়ির আর সবাই নিজের নিজের কাজে বেড়িয়ে পারে, কিন্তু সে ঘরের বউ, তাই তার বাইরে কাজে যেতে নেই। আমার ভিতর থেকে খুব ইচ্ছে যেন মেয়েরা সমাজে ছেলেদের সঙ্গে সমান ভাবে নিজেদের একটা জায়গা পায়, সমান সুযোগ পায়। আগামী দিনে মেয়দেরও সব স্বপ্ন সত্যি হয়।

আমার বিশ্বাস – আমি নিজের জীবনে এটা সার্থক করব, আর সবাইকে বোঝাতে পারব যে আমরাও পারি।
--

2 comments:

  1. Anonymous4/04/2013

    you are good girl being the part of this society. Mohan Das

    ReplyDelete
  2. and I believe that you have freed your beautiful wings and now you are a free bird !

    ReplyDelete

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here