19 Sep 2012

I Believe - Shahina


Shahina Javed is the founder member of
YRC Roshni (2009) Change Maker,
TF Youth Trainer since '10, Coordinator
- Gender and Diversity programme ('11)
more on facebook

"I believe that whether the situation is good or bad, we always have a choice - to feel strong, or to feel like a victim"
Shahina


Even as a child, I never liked losing. I always wanted to see myself in the winner’s spot. This doesn’t mean I never lost in life. Whenever I enrolled in a sports event in school, I invariably lost, and my brothers would always win. People at home used to say that I was incapable of doing anything. But my belief in myself never failed. Maybe I lost in sports but I always sought other directions to discover where my talent lay. I was very good in drama and elocution. In these places, I proved myself – that yes, I could do something as well.

Ever since childhood, there were many questions in my mind. Many of these were answered when I joined the Fellowship at Thoughtshop Foundation [TF]. I was like a traveller who knows her destination, but not the way to reach it. TF guided me in this, making me aware of my rights. From this time onwards, this belief of mine started to deepen – that whether the situation was good or bad, the choice to feel empowered or like a victim was up to me.

My mother influenced me a lot in this belief. She refused to accept defeat in any situation. My father’s business was once in very bad shape. There wasn’t even enough money for food. My father was feeling very broken. At this point, Ma gripped the reins with a strong hand and told him, “There is no reason for worrying so much. We are there with you, aren’t we?” One day the situation was such that my parents were worrying about what to feed us when we woke up in the morning. Ma had Rs.30 with her. She thought she would buy some food with it. As soon as we woke up, my younger brother said, “Ma give me money, let me get the bread.” Ma reached in her bag. There was no money inside.

Mother continued to look for the money, turning the bag upside-down and shaking it. At that time, it was unthinkable how important that 30 rupees was for us. We had all brushed our teeth and were sitting ready for breakfast. Ma paced the room, frantically searching for the lost money. My father was looking like a victim – like someone guilty of something. But Ma still believed she could tide over the situation. She told us to wait, that she would be back soon. We lived in Rajabazar, where entire households worked from home in the packing business. In a certain household, people used to work at packing chustas*. Ma got a lot of chustas from there and told us, “You eat bread everyday. Try something new today.” We were very hungry by then, so we had the chustas.

Then Ma tuned the radio to some music. She told us that if we packed a thousand pieces of chusta, we would earn 10 rupees. We three brothers and sisters had a lot of fun packing the chustas while listening to music. Actually we had never seen such a bad situation before. Nor did we realize things were so bad that day when we packed chustas and the music played. We were able to earn Rs50. With that, we bought rice and dal and enjoyed our afternoon meal. I will never forget that day. What we didn’t understand then, we realize now. That day Ma taught me how to tide over a bad situation using inner strength. Now I know that we can be the strong one or the victim at any time. The choice is ours. We never lose just like that, unless we ourselves bow down to defeat.


* Chusta (Bengali, colloq.) liquid candy packaged in plastic tubes



"আমি বিশ্বাস করি পরিস্থিতি ভালো হোক বা খারাপ, সবসময় আমাদের কাছে একটা choice আছে - নিজেকে শক্তিশালী বা victim মনে করার"
শাহীনা

ছোটোবেলা থেকেই আমার হেরে যাওয়া পছন্দ ছিল না। সবসময় নিজেকে জেতার জায়গায় দেখতে চাইতাম। তার মানে এই নয় যে জীবনে কখনো হারিনি। যখনি স্কুলে স্পোর্টস-এ নাম দিতাম, তখনি হেরে যেতাম, আর ভাইরা সবসময় জিতত। বাড়িতে সবাই বলত তুই কিছু পারিসনা। কিন্তু আমার মনে বিশ্বাস কোনদিন হারেনি। স্পোর্টস-এ হয়ত আমি হেরে যেতাম, কিন্তু অন্য দিকে আমার প্রতিভা কিসে আছে সেটা খোজার চেষ্টা করতাম। আমি খুব ভালো নাটক করতে পারতাম, স্পীচ দিতে পারতাম। সেই সব দিকথেকে আমি নিজে কে প্রমানিত করেছি যে আমিও কিছু পারি।
অনেকগুলি অজানা প্রশ্ন ছোটবেলা থেকে মনে ছিল। TF এসে fellowship জয়ন করার পর অনেক অজানা প্রশ্নের উত্তর পেলাম। আমি ছিলাম ঠিক সেই পথিকের মত - যে কোথায় যাবে জানে, কিন্তু পথ জানা নেই। TF আমাকে আমার অধিকার সম্বন্ধে সচেতন করেছে, আমাকে পথ দেখিয়েছে। আর এই সময় থেকেই আমার এই বিশ্বাস গভীর হতে শুরু করলো যে পারিস্তিথি ভালো হোক বা খারাপ, choice টা নিজের - নিজেকে শক্তিশালী মনে করব না ভিকটিম মনে করব।

এই ক্ষেত্রে আমার মা অনেক ভাবে আমাকে প্রভাবিত করে। সে কোনো-কিছুতে হার মানত না। এক সময় বাবার বিসনেসের অবস্থা খুবই খারাপ হয়ে গিয়েছিল, খাবার পর্যন্ত টাকা ছিল না; বাবা একদম ভেঙ্গে পড়েছিল। মা তখন শক্ত ভাবে বাবাকে বলে,“এত ভাবার কি আছে, আমরা তো আছি”। একদিন এমন পরিস্থিতি হয় যায় যে বাবা মাকে ভাবতে হয় বাচ্ছারা ঘুম থেকে উঠে কি খাবে? মায়ের কাছে তখন ৩০ টাকা ছিল, ভাবল ওই টাকা দিয়ে কিছু কিনে আনবে। আমরা ঘুম থেকে ওঠার পরই ছোট ভাই বলল “মা, নাস্তার টাকা দাও, পাউরুটি কিনে আনি”। মা তখন ব্যাগে হাত ঢোকালো টাকা বার করার জন্যে - দেখে বাগে টাকা নেই!

মা পুরো ব্যাগটি ঝেড়ে দেখল। ওই ৩০ টাকাটা সেদিন আমাদের জীবনে যে কত জরুরি ছিল সেটা বলে বোঝানো যায়না। আমরা সবাই মুখ ধুয়ে বসে ছিলাম। মা এদিক যাচ্ছে, ওদিক যাচ্ছে, পাগলের মত টাকা খুঁজছে। বাবাকে দেখে মনে হচ্ছিল একটি victim - সে যেন কিছু অপরাধ করেছে। কিন্তু মায়ের মধ্যে তখনও বিশ্বাস ছিল সে পারবে। মা আমাদের বলল, “তোরা বোস আমি একটু আসছি”। আমরা রাজাবাজারে থাকি, সেখানে বাড়িতে-বাড়িতে প্যাকিং-এর কাজ হয়। সেই রকম একটি বাড়িতে চুস্তা প্যাকিং এর কাজ হোত। মা সেখান থেকে অনেকগুলি চুস্তা নিয়ে এসে বলল, “রোজ তোরা পাউরুটি খাস, আজকে অন্য কিছু খেয়ে দেখ”। আমাদের তখন খুব খিদে পেয়েছিল তাই সেটাই খেলাম।

তার পর মা রেডিওতে গান চালালো, আর আমাদের বলল হাজার পিস চুস্তা প্যাক করলে ১০ টাকা করে পাওয়া যাবে। তখন আমরা তিন ভাই বোনে মিলে মজা করে গান শুনতে শুনতে চুস্তার প্যাকেট ভরলাম। আসলে কোনদিন জীবনে এরকম পরিস্থিতি তো দেখিনি; পরিস্থিতি যে এত খারাপ সেটা বুঝতেও পারিনি। সেদিন ওই কাজ করে ৫০ টাকা রোজগার হয়েছিল, তাতে আরামে দুপুরে ভাত ডাল খেয়েছিলাম। ওইদিন কোনো দিন ভুলবনা। তখন যা বুঝতে পারতাম না তা এখন বুঝি। এইরকম পরিস্থিতিতে কি করে এত শক্তিশালী ভাবে সামাল দেওয়া যায় সেটা মা আমায় শিখিয়েছিল। এখন জানি যে কোনো পরিস্থিতিতে আমরা নিজেকে শক্তিশালী বা victim মনে করতে পারি - choice টা আমাদের। আমরা কখনো এমনি হরিনা। তখনি হারি যখন আমরা নিজেরা হার মেনে নি।
 

No comments:

Post a Comment

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here