I Believe - Sangita

Sangita Das is a member YRC Drishtikon (2008)
Change Maker, Gender Volunteer ('11)
TF Youth Facilitator since 2012
more on facebook

"I believe that in society, women and men should get equal spaces and equal opportunities"

Earlier these things didn’t cross my mind. I was brought up in an environment which is stereotypical in its outlook. Here people believe women to be burdens, and don’t consider their wishes and opinions to have any value. If someone has more than one daughter, or doesn’t have a son, their suffering increases.

One such example is my mother. My elder paternal aunt-in-law has five sons, my paternal aunt also has sons. Only my mother doesn’t have a male child. We are three sisters. So these two relatives frequently tell my mother, “We have sons, so no worries” People in our neighbourhood who have sons say, “A gold ring is good, even if out of shape.” We are daughters, so we are fake gold. Hearing these things my mother would be deeply sad and she would cry.

My mother’s first child had been a son, but that elder brother of mine died when he was just one. At the slightest provocation, my father would yell at my mother “...Now that you've already eaten the boy…”. At such times I used to feel very sad, and think – can a mother ever 'eat' her son, or can a mother ever be responsible for her own son’s death? God knows what my father meant. Yet once when I was in class VII or VIII, my school dress got very dirty on Sports Day and I was getting a big scolding from my mother, when suddenly those words - ones my father usually said to her - escaped my lips as well. Now I realize how wrong I was. Our patriarchal society had succeeded in making me utter those very words.

Some people used to say, “You need to save 3 lakh rupees to pay dowry for your three daughters.” When I passed my Madhyamik [class X], a man next door whom we called dada said, “However much education a woman gets, she will have to stir a khunti [spatula]”. Does a woman’s education have no meaning then?

I changed completely after I landed up at an organisation called Thoughtshop Foundation [TF]. TF speaks of equality for women in society. I engaged with this work, as from childhood I had seen my mother suffer, and felt neglected as a girl myself. In our Kadihati neighbourhood, a girl was beaten regularly by her mother-in-law. Once I told her, “Next time she beats you, come outside and shout.” One day the girl’s father and elder brother had come to their house. The girls’s mother-in-law and father-in-law beat all of them. Then this girl came out of home and started to scream. People of the neighbourhood gathered around and told the guilty party that if this is ever repeated, steps would be taken against them. Now they don’t beat this girl any more. I felt very good when I was able to help her like this. I felt that somewhere I had been able to give a girl some space in society.

After I finished my HS [class XII], I started appearing for different job interviews. I was selected too, in many places. My confidence increased a lot. Now I know that women can wield a khunti as well as take on a job. Now if an outsider tells me not to go out, or forbids me from doing something, I protest. If my father willy-nilly raises his voice against my mother, I take a stand against it. If anyone neglects me because I am a girl, I have learnt to raise my voice and speak out for my rights.

"আমি মনে করি সমাজে পুরুষদের সঙ্গে মহিলাদেরও সমান জায়গা ও সুযোগ পাওয়া উচিত"

আমি আগে এই ব্যাপারটা নিয়ে ভাবতাম না। ছোটবেলা থেকেই আমি গতানুগতিক ধ্যান-ধারণার পরিবেশে বড় হয়ে উঠেছি। সেখানকার মানুষেরা বিশ্বাস করে যে মেয়ে মানে একটা বোঝা, তার ইচ্ছে-অনিচ্ছের কোনো দাম নেই। সমাজে যদি কারোর একটার বেশি মেয়ে হয় বা কারো যদি ছেলে না হয় তাহলে তার দুক্ষের পরিধি আরো বেড়ে যায়।

এমনি একটা উধাহরণ আমার মা। আমার জেঠির পাঁচ ছেলে, আমার পিসিরও ছেলে। শুধু আমার মায়ের ছেলে নেই। আমরা তিন বোন। তাই আমার পিসি, জেঠি প্রায়ই আমার মাকে বলেন “আমাদের ছেলে আছে, আমাদের কিসের চিন্তা?” আমাদের আসে–পাশে যাদের ছেলে আছে তারা বলতেন “সোনার আংটি বাঁকাও ভালো”। আমরা মেয়ে তাই আমরা নকল সোনা।

এইসব কথা শুনে আমার মা খুব দুক্ষ পেয়ে কান্নাকাটি করতেন। আমার মায়ের প্রথম সন্তান ছেলে ছিল, কিন্তু এক বছর বয়েসে আমার সেই দাদা মারা যায়। তাই আমার বাবা পান থেকে চুন খসলে আমার মা কে বলতেন “ছেলেটাকে তো খেয়েছ ” তখন আমার খুব দুক্ষ হত, ভাবতাম - কোনো মা কি তার সন্তানকে 'খেতে' পারেন, বা সন্তানের মৃত্যুর জন্য কি মা দায়ী হতে পারেন? কি জানি বাবা কিসব কথা বলছেন। অথচ আমি যখন ক্লাস ৭ কি ৮ এ পড়ি, তখন স্কুলে স্পোর্টস-ডে তে আমার ড্রেসটা খুব নোংরা হয়ে যায়, আর মা আমায় খুব বকা-বকি করেন। তখন আমিও মা কে বাবার ওই কথাটা বলে ফেলি। এখন বুঝি কত বড় অন্যায় করেছিলাম। পুরুষ তান্ত্রিক সমাজ আমার মুখ থেকে বাবার কথাটা বলিয়েই ছাড়ল।

কেউ কেউ আমাদের বলতেন “তিন মেয়ের পণের জন্য তিন লাখ টাকা রাখতে হবে”। আমি যখন মাধ্যমিক পাশ করি, তখন পাসের বাড়ির এক দাদা বলেন “মেয়েরা যতই পড়াশোনা করুক না কেন তাদের খুনতি নাড়তেই হবে”। তাহলে কি মেয়েদের পড়াশোনার কোনো দাম নেই?

আমি একদম পাল্টে গেলাম থটশপ ফাউনডেশন নামক একটি সংস্থায়ে আসার পর। TF এ মহিলাদের সমানতা নিয়ে কথা বলা হয়। আমি এই কাজেই যুক্ত হই, কারণ ছোটবেলা থেকেই দেখেছি মা কে কষ্ট পেতে, আর নিজেকে একজন মেয়ে হিসেবে অবহেলিত হতে। আমাদের কাদিহাটি পাড়ায় প্রায়ই একটি বউকে তার শ্বাশুড়ি ধরে মারতেন। একদিন আমি তাকে বলি, “এবার যখন আপনাকে মারবে, আপনি বাইরে এসে চিত্কার করবেন” একদিন বৌটির বাবা আর দাদা ওনাদের বাড়িতে এলে সেই শ্বশুর এবং শ্বাশুড়ি ওদের সবার গায়ে হাত তোলেন. তখন মেয়েটি বাইরে এসে চিত্কার করে। পারার সবাই জড়ো হয়ে ওনার শ্বশুর-শ্বাশুড়ি কে বলে যে এরকম আবার যদি করে তো তাদের বিরুদ্ধে step নেবে। এখন ওরা বউটিকে আর মারধোর করেনা। ওকে সাহায্য করতে পেরে আমার খুব ভালো লেগেছিল। কথাও মনে হয়েছিল যে একটা মহিলা কে সমাজে তার জায়গা করে দিতে পেরেছি।

আমি যখন H.S. পাশ করি, তখন জবের জন্য ভিভিন্ন জায়গায় interview দিতে শুরু করি। অনেক জায়গায় সিলেক্টও হই। এর ফলে আমার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়েছে। আমি এখন জানি যে মেয়েরা খুনতি নাড়তেও পারে আবার জবও করতে পারে। এখন আমাকে যদি বাইরের কেউ কোথাও যেতে বা কিছু করতে বারণ করেন, আমি সেখানে প্রতিবাদ করি। বাবা যদি মার সাথে কারণে অকারণে উঁচু গলায় কথা বলেন, আমি রুখে দাড়াই। কেউ যদি মেয়ে বলে অবহেলা করে সেখানে আমি উচু গলায় নিজের অধিকার চেয়ে নিতে শিখেছি।