20 Sep 2012

I Believe - Sabir

Sabir Ali is a member of YRC Pratyasha (2011)
participant in TF Empowerment through
Technology Workshops (2012)
more on facebook


"I believe from my heart that if a person really wants to, he can do anything, however difficult that job is"
Sabir


I have been applying this belief to my own life from when I was about 8 years old. Many people have influenced this belief in me. Firstly, my family.

We used to live in a small room with no electricity. I used to study in the light of a chimney lamp. There were six members in my family – my parents, my three sisters and me. From childhood, I have struggled a lot, so I am a little different from others who have had it otherwise. I really, deeply feel the value of life.

When I was a child, my father’s financial situation was very bad and it was very hard to run a family of six. Added to this were the expenses for my and my sisters’ education. My father never let us know his struggles but still I understood, even if a little. I used to help him with different jobs in the house. I thought there was no reason why I wouldn’t be able to do the household chores that my sisters did. So, like my sisters, I also used to sweep the floor, wash my own clothes, serve myself food. My father used to say that one shouldn’t retreat from any kind of work, that we could do anything if we tried. So I mustered up courage and taught myself swimming by repeatedly immersing myself in the pond, though I was scared and swallowed a lot of water. I repeatedly bruised myself, but I taught myself cycling. I repeatedly fell off, but still persisted in teaching myself how to climb a tree. I learnt several useful little things from my father also, like repairing things or putting a damaged part of something to a different use. Besides these, I also learnt shoemaking, repairing cycles and electric work and have been doing these from when I was 8-9 years old.

When I was class VI, I met Indrajit Sir. He used to run a free coaching centre called Adhyayan. While attending classes there, we became friends. He taught me how to avoid the seamy sides of society and focus totally in good work.

Let me share an incident from this time in my life. One day while going to school, I saw a blind old man walking along a street that had been dug up, heading towards a hole in the ground. I went forward and guided him to some distance by holding his hand, then made my way to school. I still remember this small incident. Perhaps this was the first time I realised the satisfaction of helping others.

Sir used to tell me about the lives of the greats. Being with Sir, I learnt to realize and perceive lots of things, and to think about things with more awareness. At that time, the Government was thinking of abolishing the ‘pass/fail’ system in schools up to class VIII. I and Sir felt that in many cases, this would take away the motivation to study. So, to protest against this, I joined the student body called AIDSO. Even today I visit different schools to educate students about the pitfalls of this system.

In this way, by gathering up courage and going forward, I have understood life better. I have learnt that if we really want to, we can learn many things. This belief has deepened in me - that there is nothing we can’t do if we try.




"আমি মন-প্রাণ দিয়ে বিশ্বাস করি যে মানুষ নিজেই চেষ্টা করলে যে কোনো শক্ত কাজ করতে পারে"
সাবির

প্রায় আট বছর বয়স থেকে আমি এই বিশ্বাস কে আমার জীবনে প্রয়োগ করে চলেছি। অনেকে এ বিশ্বাস প্রভাবিত করেছে। প্রথমত, আমার পরিবার।

ছোট একটা ঘরে আমরা থাকতাম, সেখানে বিদ্যুত ছিলনা। চিমনির আলোতেই পড়াশোনা করতাম। আমাদের পরিবারে ছিল ছয়জন – বাবা, মা, আমি আর আমার তিন দিদি। ছোট বেলা থেকে আমি অনেক কঠোর পরিশ্রম করে বড় হয়েছি তাই আমি অন্য সাধারণ ছেলেদের থেকে একটু আলাদা প্রকৃতির। আমি অনুভব করি জীবনের মুল্য কি।

আমার ছোট বেলায় বাবার আর্থিক অবস্থা ছিল খুবই খারাপ এবং ছয় জনার সংসার চালানো ছিল খুবই কষ্টকর। তার উপর ছিল আমার ও দিদিদের পড়াশোনার খরচ। বাবা নিজের কষ্ট আমাদের কখনোই বুজতে দিতনা কিন্তু তবুও আমি একটু একটু বুঝতাম। ছোটবেলায় বাবার সঙ্গে বাড়ির বিভিন্ন কাজে হাত লাগাতাম আমি ভাবতাম আমার দিদিরা বাড়ির যা কাজগুলি করে তা আমি কেন করতে পারবনা। তাই আমিও দিদিদের মত ঘর ঝাড় দিতাম, নিজের কাপড় কাচতাম, নিজের খাবার নিজেই বেড়ে খেতাম। বাবা বলতেন যে কোনো কাজে পিছিয়ে যেতে নেই, চেষ্টা করলেই সব পারা যায়। তখন আমি ভয় পাওয়া সত্যেও একাই নিজের মনের জোর রেখে বার বার পুকুরে ডুবে জল খেয়েও সাঁতার শিখেছিলাম, বারবার হাত পা ছড়ে গিয়েও সাইকেল চালানো শিখেছিলাম, আবার গাছ থেকে বার বার পড়ে গিয়েও গাছেও ওঠা শিখেছিলাম। ছোট বেলাতেই বাবার কাছ থেকে ছোট ছোট অনেক কাজ শিখেছিলাম, যেমন – কোনো জিনিস মেরামত করা, যেটা খারাপ হয়ে গেছে তার কিছু অংশ কি ভাবে অন্য কাজে লাগানো যায়, এসব। এছাড়া জুতো সেলাই, সাইকেল সরানো, কারেন্টের কাজ - এসবও শিখেছি, এবং আট-নয় বছর বয়েস থেকেই করছি।

আমি যখন ক্লাস VI এ পড়ি তখন আমার সাথে ইন্দ্রজিত সার-এর পরিচয় হয়। ইন্দ্রজিত সার একটি ফ্রী কোচিং সেন্টার চালাতেন, তার নাম ছিল অধ্যায়নসেই কাচিংএ পড়তে পড়তে আমি আর সার বন্ধু হয়ে গেছিলাম। তিনি আমাকে শিখিয়ে ছিলেন কি ভাবে সমাজের নোংরা দিকগুলো এড়িয়ে চলতে হয় ও সবসময় ভালো কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে হয়।

এই সময়েরই একটি ঘটনা বলি। একদিন স্কুলে যাওয়ার পথে দেখলাম একজন অন্ধ বৃদ্ধ রাস্তা দিয়ে এগোচ্ছে এবং তার সামনে রাস্তা খোঁড়া, তাতে গর্ত। তখন আমি এগিয়ে গিয়ে ওই বৃদ্ধ লোকটির হাত ধরে কিছু দূর এগিয়ে দিলাম এবং তার পর আমি স্কুলে চলে গেলাম। এই ছোট্ট কথাটা আজও মনে আছে। হয়তো এটার থেকে প্রথম বুঝেছিলাম কাউকে সাহায্য করে কিরকম তৃপ্তি পাওয়া যায়।

সার আমাকে বিভিন্ন মনীষীর জীবনী শোনাতেন। সার-এর সঙ্গে থেকেই আমি অনেক কিছু উপলব্ধি করতে শিখলাম, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আরো সচেতন ভাবে ভাবতে শুরু করলাম। সেই সময় সরকার থেকে ক্লাস VIII অবধি pass/fail তুলে দেওয়ার কথা হচ্ছিল আমার আর সার এর মনে হলো যে pass/fail তুলে দিলে ভালো ভাবে পড়াশোনা করার উতসাহটাই কমে যাবে। তাই আমি এটার বিরোধিতা করার জন্য ছাত্র সংগঠন (AIDSO) এর সঙ্গে যুক্ত হলাম। আজও বিভিন্ন স্কুলে গিয়ে ছাত্রদের সাথে আমি এই বিষয়টা নিয়ে কথা বলি ও তাদের সচেতন করি।

এই ভাবেই নিজে সাহস করে এগিয়ে গিয়ে আমি জীবনটাকে আরো ভালোভাবে বুঝতে পেরেছি। জেনেছি যে শেখার ইচ্ছে থাকলে একাই আমরা অনেক কিছু শিখতে পারি। আমার এই গভীর বিশ্বাস জন্মেছে যে চেষ্টা করলে এমন কোনো শক্ত কাজ নেই যেটা আমরা পারিনা।
--

No comments:

Post a Comment

You can comment without logging-in, just choose any option from the [Comment as:] list box. Comment in any language - start here